ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ভ্যান্স নন, ট্রাম্পের বিশেষ দূত উইটকফ সুইজারল্যান্ডে
গতকাল শুক্রবার লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির কথা জানায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ।
গতকাল শুক্রবার লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির কথা জানায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ।
ট্রাম্প ইসরায়েলকে এমন সুযোগও দেন, যাতে তারা পুরো অঞ্চলে নির্বিচার সামরিক অভিযান চালাতে পারে। গত বছর মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ছয়টি আরব দেশে ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়।
বরং ইরানই এই যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ভূরাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
‘বিশ্বাসঘাতক’ যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি মানবে না ইসরায়েল
ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের নেতারা একযোগে এই চুক্তির তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেছেন। তাঁদের মতে, চুক্তিটি পুরোপুরি ইসরায়েলের স্বার্থের পরিপন্থী।
গত রোববার রাতে ওয়াশিংটন–তেহরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিশ্চিত করে।
সাম্প্রতিক জনমত জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্প ও তাঁর দলের জনপ্রিয়তা ক্রমেই কমছে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ইরানের কট্টরপন্থীরা জোরালো আপত্তি তুলেছেন।
যুদ্ধ বন্ধে তেহরান-ওয়াশিংটন একটি সমঝোতা চুক্তির আলোচনা যখন চলছে, তখন তার বিরোধিতা করে বিক্ষোভ হয়েছে ইরানে। কট্টরপন্থিদের এই বিক্ষোভ থেকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে স্লোগানও ওঠে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তিটি সই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সবার জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।’
সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের জন্য ১০ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার তহবিল ছাড়তে রাজি হয়েছে, যার ৩০০ কোটির বেশি ডলার ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।
হতাশ ট্রাম্প কেন আবার ইরানে বোমাবর্ষণে নামলেন