খুলনা বিভাগে চমক লাগানো ফল জামায়াতের, বিএনপির বিপর্যয়ের কারণ কী
খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী জিতেছে ২৫টি আসনে। খুলনা বিভাগে আগে কখনো এত বেশি আসনে জামায়াত জয় পায়নি।
খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী জিতেছে ২৫টি আসনে। খুলনা বিভাগে আগে কখনো এত বেশি আসনে জামায়াত জয় পায়নি।
সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ দ্রুততম সময়ের মধ্যে, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
মাত্র ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ের ঘটনা যেমন আছে, তেমনি দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ের নজিরও রয়েছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সব দলের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হতে পারে সর্বোচ্চ আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কয়েক শ থেকে এক হাজারের কিছু বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন পাঁচজন।
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থক জসিম উদ্দিন (৩০) হত্যার ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
জামায়াত সরকার গঠন করার মতো অবস্থানে যেতে না পারলেও তাদের ফল ভালো হয়েছে। কারণ, তারা এর আগে কখনোই ১৮টির বেশি আসন পায়নি।
নড়াইল-২ আসনের (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) বিএনপি ও দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন।
মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এগুলোর ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকায় কমিশন ফলাফল স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কয়েক দশক ধরে দুই দলই (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি) পর্যায়ক্রমে দেশ শাসন করে আসছে।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সোম বা মঙ্গলবার শপথ পড়াতে পারেন সিইসি। একই দিন হতে পারে মন্ত্রিসভার শপথ।