জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গঠন করবে: আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতীয়ভাবে খুবই চ্যালেঞ্জিং বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতীয়ভাবে খুবই চ্যালেঞ্জিং বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনের সব কটিতে বিএনপি ও পাঁচটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে আটটিতে বিএনপির ও একটিতে জামায়াতের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ। তবে এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু নাছের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা বরাদ্দ পেয়েছেন। তাঁর প্রতিনিধি আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ নেন।
একই অভিযোগে এই নিয়ে কুষ্টিয়া–৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে চারটি মামলা হলো।
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন জহির উদ্দিন আহমেদ। সম্প্রতি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন ও অতীতে আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
আমিরে হেফাজত তাঁর বিবৃতিতে আরও বলেন, হেফাজত বরাবরের ন্যায় আগামী নির্বাচনেও কোনো দলের পক্ষে অবস্থান নেবে না।
গতকাল মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও নরসিংদী-২ আসনের ১০–দলীয় জোটের প্রার্থী মো. গোলাম সারোয়ার ওরফে সারোয়ার তুষারের আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আমজাদ হোসাইন।
ঢাকা–৬ আসনে জামায়াত প্রার্থী আবদুল মান্নান নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও কালোটাকার ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ। আজ প্রতীক বরাদ্দ। আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনটি ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক এনসিপির জন্য ছাড় দেওয়ার কথা থাকলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় নগরের বহদ্দারহাট এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় এনসিপি প্রার্থীকে নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাছাইপর্বে বাতিল হয়েছে। গতকাল অনেকে প্রত্যাহারও করেছেন।