খাদিজার প্রতি নবীজির ভালোবাসা
খাদিজার চেয়ে উত্তম কাউকে আল্লাহ দান করেননি। মানুষ যখন আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন খাদিজা সত্য বলে গ্রহণ করেছিলেন, সবাই যখন শত্রু ছিল, তিনিই ছিলেন আশ্রয়।
খাদিজার চেয়ে উত্তম কাউকে আল্লাহ দান করেননি। মানুষ যখন আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন খাদিজা সত্য বলে গ্রহণ করেছিলেন, সবাই যখন শত্রু ছিল, তিনিই ছিলেন আশ্রয়।
তাঁর মৃত্যুকে সাহাবিগণ বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখেছেন। ইবনে আব্বাস (রা.) তাঁর মৃত্যুর সংবাদ শুনে সিজদা করেন—কারণ, নবীজির স্ত্রীদের মৃত্যু উম্মতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
মদিনার তিন দিক ছিল পাহাড় ও ঘন খেজুরবাগানে ঘেরা, যা প্রাকৃতিকভাবেই সুরক্ষিত ছিল। কেবল উত্তর দিক ছিল উন্মুক্ত, যেখান দিয়ে শত্রুর প্রবেশের সম্ভাবনা ছিল।
দীর্ঘ ১৭ মাস বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার কাবার দিকে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ এলে, বিরোধী পক্ষ থেকে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়।
দাম্পত্যে তিক্ততা তৈরি হলেও সমাজ বা পরিবারের চাপে অনেকে ধুঁকে ধুঁকে জীবন কাটান। সাহাবি বারিরার সাহসী সিদ্ধান্ত আমাদের জানায়, মানুষের অন্তরকে বাধ্য করার যায় না।
দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, যুদ্ধের দামামা বেজে উঠল। বনু আবদুদ দার এবং বনু আদি গোত্র তো একটি পাত্রে রক্ত ভরে তাতে হাত ডুবিয়ে মৃত্যুর শপথ পর্যন্ত নিয়ে নিল।
অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।
খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী ও ধর্মগ্রন্থে পারদর্শী ওয়ারাকা পুরো ঘটনা শুনে নিশ্চিত করেন, এ সেই ফেরেশতা, যিনি মুসা (আ.)–এর কাছে ওহি নিয়ে এসেছিলেন।
নবীজি (সা.)-এর যুগে মারওয়ায় কোরবানি হতো না; বরং মিনায় কোরবানি হতো, যা মক্কা থেকে তিন মাইল দূরত্বে অবস্থিত। তথাপি তিনি মারওয়াকে কোরবানির স্থান বলেছেন।
বাংলা ভাষায় পবিত্র কোরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদক হিসেবে গিরিশচন্দ্র সেনের অবদান কেবল অনুবাদেই সীমাবদ্ধ ছিল না; হাদিস, সিরাত, ইসলামের ইতিহাস, সুফিবাদ ও ফারসি সাহিত্যের বহু গ্রন্থ অনুবাদ-সংকলন ও মৌলিক রচনার মধ্য দিয়ে তিনি উনিশ শতকের বাংলা জ্ঞানচর্চায় স্বতন্ত্র অধ্যায় তৈরি করেন।
নবীজি (সা.)-এর প্রিয় উট কাসওয়া হিজরত, মসজিদে নববী নির্মাণ, হোদাইবিয়া সন্ধি সহ নবুয়তের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিল। সিরাত-হাদিসে এর বিবরণ মর্যাদার সঙ্গে পাওয়া যায়। নবীজির ইন্তেকালের পর এটি শোকাহত হয়ে মারা যায়।
‘পুলসিরাত’ নামে একটি রোমান্টিক থ্রিলার নির্মাণ করছেন নির্মাতা ভিকি জাহেদ।