
এআই যুগে চাকরির নিরাপত্তা দক্ষতায় না ডিগ্রিতে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিগ্রি–নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে গিয়ে সক্ষমতাভিত্তিক শিক্ষার দিকে এগোতে হবে। এআই দ্রুত কাজের ধরন পরিবর্তন করছে, তাই অভিযোজন ক্ষমতা ভবিষ্যতের সবচেয়ে মূল্যবান দক্ষতা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিগ্রি–নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে গিয়ে সক্ষমতাভিত্তিক শিক্ষার দিকে এগোতে হবে। এআই দ্রুত কাজের ধরন পরিবর্তন করছে, তাই অভিযোজন ক্ষমতা ভবিষ্যতের সবচেয়ে মূল্যবান দক্ষতা হবে।

একটি যুগোপযোগী ও ন্যায়ভিত্তিক শিক্ষাকাঠামো গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ছিল শিক্ষা আইন ২০২৬। কিন্তু তাড়াহুড়ো, সীমিত পরামর্শ ও রূপান্তরমূলক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবে এটি সেই সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে আছে। শিক্ষা আইন যেন আরেকটি প্রশাসনিক দলিল না হয়ে ওঠে। বরং তা হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সামাজিক চুক্তি। সে জন্য সময় নিয়ে, সাহসী সংশোধনের মাধ্যমে এই আইনকে নতুন করে ভাবাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নানা স্তরে বিভক্ত, নীতিগতভাবে অসংলগ্ন ও আইনি দিক থেকে খণ্ডিত। প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা, মাদ্রাসা, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা—প্রতিটি ক্ষেত্রে আলাদা আইন ও বিধিমালার মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে।

খসড়া শিক্ষা আইনে কিছু ইতিবাচক ভাষ্য থাকলেও গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এটি মূলত বিদ্যমান ব্যবস্থাকেই আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

উম্মে সালামা বেশ ভালোভাবেই জানতেন, মা যদি ধার্মিক হয়, যদি হয় খোদাভীরু—তাহলে সমাজের চিত্রই পালটে যাবে। সমস্ত সমাজই ইসলামের আলোয় হয়ে উঠবে আলোকিত।

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো শ্রেণিকক্ষের শিক্ষক। সেই শিক্ষক যখন পাঠদান ছেড়ে ভোটার তালিকা, জরিপ, তথ্য সংগ্রহ বা নানা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকেন, তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো শিক্ষাকাঠামো।

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, শুধু ডিগ্রি প্রদান করা না হয়ে দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তি–সচেতন মানবসম্পদ গড়ে তোলাই বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি ‘শিক্ষা আইন’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে এবং জনসাধারণের মতামতের জন্য আইনটির খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার রূপান্তরের জন্য ভিশন প্রণয়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠিত পর্যালোচনা কমিটির খসড়া প্রতিবেদন।

স্বাধীনভাবে করা শিক্ষাগত মূল্যায়ন দেখিয়েছে, পরীক্ষার নম্বর আর শিক্ষার্থীদের বাস্তব দক্ষতার মধ্যে ফারাক ক্রমেই বাড়ছে। ফলে নম্বর বা গ্রেড শিক্ষাব্যবস্থাকে ভুল বার্তা দিচ্ছে এবং প্রকৃত অবস্থাটা আড়াল হয়ে যাচ্ছে।

রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বিদ্যুতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, পর্যটন বিকাশ, নারীর ক্ষমতায়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক উন্নয়নের অঙ্গীকার করেছেন খাগড়াছড়ি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী।

শিশুকে নানা কৌশলে ভয় দেখানো, অপমান করা, মাত্র প্যান্ট পরতে শেখা শিশুটির প্যান্ট টেনে খুলে দিয়ে আনন্দ পাওয়া; সামান্যতেই কান ধরে ওঠবস করানো বা মাটির সঙ্গে নাক ঘষতে বাধ্য করা—এসব অনাচারকে অনেক অভিভাবক ‘সামান্য শাস্তি’, ‘স্বাভাবিক’ বা ‘প্রথা’হিসেবে মেনে নেন।