
এপস্টেইনকে তথ্য পাচারের অভিযোগ, তদন্তের মুখে সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী ম্যান্ডেলসন
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে ম্যান্ডেলসনকে বরখাস্ত করা হয়।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে ম্যান্ডেলসনকে বরখাস্ত করা হয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনপিআর-এর এক পডকাস্টে মেলিন্ডা গেটস এ কথা বলেছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত লাখ লাখ নথিতে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। এমন কিছু নেই, যা দেখিয়ে বলা যাবে—এপস্টেইন নিয়মিত সিআইএ, এমআই ৬ বা মোসাদের দপ্তরে যেতেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাঁর সে প্রয়োজনও ছিল না। সাবেক ও বর্তমান রাষ্ট্রদূত, বিশ্বনেতা ও ধনকুবেররাই তাঁর কাছে যেতেন।

এ বিপুলসংখ্যক নথি প্রকাশের পর কলঙ্কিত এই ধনকুবেরকে নিয়ে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্নও সামনে এসেছে।

ক্লিনটন দম্পতির বিরুদ্ধে ‘কংগ্রেস অবমাননার’ অভিযোগে ভোটাভুটির মাত্র কয়েক দিন আগে এ সম্মতির কথা জানালেন তাঁরা।

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে তথ্যচিত্র, আসছে একাধিক সিরিজ।

অনেক ই-মেইল ও নথি এক দশকেরও বেশি পুরোনো।

কে এই কুখ্যাত এপস্টেইন

গত শুক্রবার এপস্টেইন ফাইল থেকে ৩০ লাখের বেশি নথি প্রকাশ করা হয়।

ট্রাম্পের পাশাপাশি আরও কয়েকজন অভিজাত ব্যক্তির সঙ্গে এপস্টেইনের বন্ধুত্ব ছিল

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা এই প্রতিবাদ জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটি ২০১০ সালে অ্যান্ড্রুর বাসভবন রয়েল লজে ঘটেছে। ওই নারী ব্রিটিশ নাগরিক নন এবং ঘটনার সময় তাঁর বয়স ছিল বিশের কোঠায়।