
গ্রাহকেরা সঞ্চয়পত্র কেনার চেয়ে ভাঙছেন বেশি
গ্রাহকেরা সঞ্চয়পত্র কেনার চেয়ে ভাঙছেন বেশি

গ্রাহকেরা সঞ্চয়পত্র কেনার চেয়ে ভাঙছেন বেশি

সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, ব্যাংক খাতের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংককেও মাঝেমধ্যে টাকা ছাপিয়ে ঋণ দিতে হচ্ছে।

পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, চাপে সাধারণ মানুষ

গত এক-দুই মাসে প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। চলতি মাসে দুই দফায় এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে বাড়তি চাপে পড়েন সীমিত আয়ের মানুষ।

বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটির বেশি মানুষের জীবিকা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা জাতিসংঘের।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মানেই আপনার খরচের খাতা নিরবে ফুলেফেঁপে উঠবে। জীবনযাত্রার প্রায় প্রতি পদে পদে খরচ বাড়বে। নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে, যাতায়াতের খরচ বাড়বে।

শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য প্রভাব যেন বিভিন্ন সেক্টরে না পড়ে, সে জন্য সরকার সচেতন রয়েছে।

রাইডশেয়ারের মোটরসাইকেলে বেড়েছে ভাড়া

পুরোনো সংকট কাটেনি, সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, খেলাপি ঋণ ও জ্বালানিঝুঁকির মধ্যে নতুন সরকার কোন অগ্রাধিকার আগে দেবে, সেই প্রশ্নই এখন বড়।

হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যুদ্ধবিরতিতে ইরানের বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও বিক্রি যুদ্ধপূর্বের তুলনায় অনেক কম। ইন্টারনেট শাটডাউন ও মূল্যস্ফীতিতে অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জীবিকা বিপন্ন।

এডিবি চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক সংকটের কারণে প্রবৃদ্ধির হার কমেছে। পরের বছরে এটি ৪.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।