রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নেবে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নেবে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন।
গত দেড় দশকে তৃণমূল আর কবীর সুমন সমার্থক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল।
বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, ৯ মে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর দিন নতুন সরকারের শপথ হতে পারে।
সমকালীন ভারতে আর কোনো রাজ্যের নির্বাচন এতটা উত্তেজক ছিল না—এবার ২০২৬ সালে যা হলো। পশ্চিমবঙ্গের কোনো নির্বাচনও বাংলাদেশে এত মনোযোগ কাড়েনি অতীতে। এতসব আকর্ষণের কারণ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ বিজয়কে মর্যাদার লড়াই বানিয়ে ফেলেছিল।
নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন
বাংলাদেশের পাশে ভারতের রাজ্য ত্রিপুরা ও আসামে বিজেপি ক্ষমতায়, মেঘালয়েও তাদের জোট। এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির শাসন।
বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জয়ের পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ দেখিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল সোমবার। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল ও বিজেপি।
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুধু তৃণমূল কংগ্রেস আর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই ছিল না। এই নির্বাচন এক অন্যরকম পরিস্থিতির ছবি দেখিয়েছে। এখানে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের শাসক দল তৃণমূলকে একসঙ্গে দু’দিক থেকে লড়তে হয়েছে। দলটির একদিকে আছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
এপ্রিল মাসে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়া ভারতের চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গই সবচেয়ে জনবহুল। এই রাজ্যের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে ৪ মে। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতের কেন্দ্রে আসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে।