
লবণ নাকি রুহ আফজা: ভারতীয় ইফতারের সাতকাহন
ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলের প্রাচীন রীতি—লবণ দিয়ে ইফতার করা। তারা বিশ্বাস করেন, দীর্ঘ উপবাসের পর লবণ মুখে দিয়ে রোজা ভাঙা শরীরের জন্য উপকারী।

ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলের প্রাচীন রীতি—লবণ দিয়ে ইফতার করা। তারা বিশ্বাস করেন, দীর্ঘ উপবাসের পর লবণ মুখে দিয়ে রোজা ভাঙা শরীরের জন্য উপকারী।

কামানের গোলা ছোঁড়ার পর যখন শহরের শত শত মসজিদের মিনারে সাদা বাতি জ্বলে ওঠে, তখন সারায়েভোকে মনে হয় পাহাড়ের কোলে জমানো একরাশ জোনাকি।

এই দিনে নবীজির (সা.) নেতৃত্বে পরিচালিত দীর্ঘ ও কঠিনতম এক অভিযানের সফল সমাপ্তি ঘটে এবং মুসলিম বিশ্বের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু কায়রো থেকে ইস্তাম্বুলে স্থানান্তরিত হয়।

প্রত্যেকের দস্তরখানে নিজের তৈরি খাবারের চেয়ে প্রতিবেশীদের থেকে আসা খাবারের পরিমাণই বেশি থাকে। এটি সিরীয় সমাজের সংহতি ও সহমর্মিতার এক অনন্য উদাহরণ।

এই দিনে আরবের বুক থেকে মূর্তিপূজার চূড়ান্ত বিনাশ ঘটে। মঙ্গোল বাহিনীও পরাজিত হয় এই দিন, ফলে মানবসভ্যতা নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায়।

ইফতারে তারা পরিবারের সদস্য সংখ্যার চেয়ে অন্তত একটি প্লেট বেশি সাজিয়ে রাখে, যদি ইফতারের মুহূর্তে কোনো মুসাফির বা মেহমান দরজায় কড়া নাড়েন!

ক্যাম্পেইনের মূল স্লোগান হলো—‘একটি খেজুরের জন্য একটি জীবন হারাবেন না’। কেননা, ইফতারের পূর্বে জর্ডানিরা প্রচণ্ড গতিতে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করেন।

এই দিনে একদিকে যেমন আরবের বুক থেকে প্রাচীন মূর্তিপূজার প্রাতিষ্ঠানিক অবসান ঘটেছিল, তেমনি পতন ঘটেছিল প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম পরাক্রমশালী পারস্য সাম্রাজ্যের।

কুয়ালালামপুরের কাম্পুং বারু মসজিদে প্রতিদিন বড় বড় ডেকচিতে খিচুড়ি রান্না করা হয়। আসরের পর থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে হাজারো মানুষ ‘বুবুর লাম্বুক’ সংগ্রহ করেন।

তাঁর ৫০ বছরের শাসনামলে কর্ডোভা হয়ে ওঠে বিশ্বের জ্ঞান ও কূটনীতির প্রাণকেন্দ্র। তাঁর নির্মিত ‘মদিনাতুজ জাহরা’ প্রাসাদটি তৎকালীন বিশ্বের বিস্ময় হিসেবে পরিচিত ছিল।

১৭৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের তিনটি প্রাচীন মাটির ফলক স্ক্রিপ্টকে বলা হয় বিশ্বের প্রথম রান্নার বই। সেই প্রাচীন ‘খুবজ আল-আরুক’ আজও ইরাকি ইফতারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এ–বছর রমজান উপলক্ষে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে আফ্রিকার অন্যতম বড় প্রদর্শনী ‘ঈদ ফিস্ট’। এখানে তুরস্কের পোশাক থেকে শুরু করে ভারতীয় মশলা—সবই পাওয়া যায়।