
যারা ব্যাংকের টাকা চুরি করেছে, তাদের শান্তিতে থাকতে দেব না: গভর্নর
গভর্নর বলেন, একদল মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখল, আরেক দল চুরি করে নিয়ে গেল। এখন করদাতাদের টাকা দিয়ে এসব ব্যাংকে মূলধন জোগান দেওয়া হচ্ছে।

গভর্নর বলেন, একদল মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখল, আরেক দল চুরি করে নিয়ে গেল। এখন করদাতাদের টাকা দিয়ে এসব ব্যাংকে মূলধন জোগান দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ঘোষণা করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট ও বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার যেসব সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।

সংগঠনটির আশঙ্কা, রাজস্ব আদায়ে চাপ বাড়লে করদাতারা হয়রানির শিকার হতে পারেন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যেতে পারে।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য আবাসনের জন্য দুটি পৃথক চলমান প্রকল্পে এ বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

দেশে অর্থনৈতিক সংস্কার এ বাজেটের মাধ্যমে সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের কর বাড়ানো হয়েছে। বন্দুক, শটগান, রাইফেল, পিস্তল ও রিভলবারের নিবন্ধন, লাইসেন্স ইস্যু কিংবা নবায়নের সময় মালিকদের ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা অগ্রিম কর দিতে হবে।

আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আয়–ব্যয় কীভাবে হবে, তা একঝলকে দেখে নেওয়া যাক।

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিডিপি। সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতাকে আড়াল করে বা অতিমূল্যায়ন করে এই ভিত্তি ঠিক করা হয়েছে বলে মনে করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জামায়াতের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরার জন্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জনগণের কাছ থেকে সরকার যে কর আদায় করে, তা কীভাবে ও কোথায় ব্যয় হবে, তার মধ্য দিয়ে সরকারের অগ্রাধিকার বোঝা যায়।

সরকারি কিছু কিছু সেবা দিতে সময় বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। কর কর্মকর্তাদের একক ক্ষমতা থাকছে না।