খুশি-তামান্নাদের ঝলমলে র্যাম্প, হঠাৎ শোকের ছায়া—মনীশ মালহোত্রার শো বাতিল
র্যাম্পে নজর কাড়েন খুশি কাপুর, তামান্না ভাটিয়া ও দিশা পাটানির মতো বলিউড তারকারা। তবে দিনের বড় খবর ছিল ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার বহুল প্রতীক্ষিত শো বাতিল হওয়া।
র্যাম্পে নজর কাড়েন খুশি কাপুর, তামান্না ভাটিয়া ও দিশা পাটানির মতো বলিউড তারকারা। তবে দিনের বড় খবর ছিল ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার বহুল প্রতীক্ষিত শো বাতিল হওয়া।
বিচিত্র এক ধরনের হাতাকাটা পোশাক পরতেন তিনি। ধারণা করা হয়, ‘স্যান্ডো গেঞ্জি’র নামকরণ তাঁর নাম থেকেই অনুপ্রাণিত।
ঢাকাতেই এখন পাওয়া যায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের জুতা; আছে সুপরিচিত দেশি ব্র্যান্ডও। তারপরও কেন এলিফ্যান্ট রোডের রাখী সুজে ছুটে যান কিছু মানুষ?
ঈদে পাঞ্জাবি, শার্ট ও টি-শার্টের নকশায় তরুণ ক্রেতাদের চাহিদাই প্রাধান্য পেয়েছে বেশি। প্যান্টের মধ্যে জিনস, গ্যাবার্ডিন আর ব্যাগি চলছে বেশি।
গরমে কড়া মেকআপ যেমন গলে পড়ার ঝুঁকি থাকে, তেমনি পোশাকও জমকালো হলে অস্বস্তি। তাই বলে কি ঈদের দিন সাজবেন না?
আপনি যদি সুইস ব্র্যান্ডের ঘড়ি চান, তাহলে টাইম জোনে পেয়ে যাবেন রাডো, টিসট, লঞ্জিন্স, মিডো, সার্টিনা, বালমেইন ইত্যাদি।
ঢাকার ঈদবাজারে পাঁচ লাখ টাকার পাঞ্জাবি
চৈত্র মাসের গরমেও শিশুর ঈদটি যেন স্বস্তির হয়, তাই নির্বাচন করতে হবে আরামদায়ক পোশাক।
অনেকেই ঈদের পোশাকের রং ও নকশার সঙ্গে মিলিয়ে বেছে নেন মেহেদির ডিজাইন। এ বছর জ্যামিতিক বা আলপনার নকশা দেখা যাবে হাতে।
ঈদে সাধারণত একটি বা দুটি ধারা জনপ্রিয় হতে দেখা যায়। জেন–জি আর মিলেনিয়ালদের পোশাকে এবার সেই রীতি ভেঙে পড়েছে। ঈদ ফ্যাশনের মূল ধারাই এবার কাটের বৈচিত্র্য।
অনলাইন, অফলাইন—সব জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে পাঞ্জাবির খোঁজ। ঠিক কোন ধরনের পাঞ্জাবি এবারের ঈদে সবার পছন্দ, সেটাই দেখে নেওয়া যাক।
ভালো পোশাক পরার সামর্থ্য যাদের নেই, তাদের জন্য ঈদের সময় কেনাকাটা করেন শেহতাজ–প্রীতম দম্পতি।