
মেঘলার একুশ
স্কুলের শিক্ষক যখন বলছিলেন, ১৯৫২ সালের সেই ফেব্রুয়ারির কথা, ভাষা আন্দোলন, কীভাবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তরুণেরা বুক পেতে দাঁড়িয়েছিলেন।

স্কুলের শিক্ষক যখন বলছিলেন, ১৯৫২ সালের সেই ফেব্রুয়ারির কথা, ভাষা আন্দোলন, কীভাবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তরুণেরা বুক পেতে দাঁড়িয়েছিলেন।

ছোটবেলায় আমি খুব ভালো ছাত্রী ছিলাম, কিন্তু করোনায় লকডাউনের পর থেকে আমার লেখাপড়ার অবনতি হতে থাকে।

গ্রামের মানুষের কাছে মাঠটি ছিল শুধু খেলাধুলার জায়গা নয়, এটি ছিল সামাজিক যোগাযোগের কেন্দ্র ও নতুন প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের দিকে টেনে নেওয়ার এক অনন্য মাধ্যম। স্কুল ছুটির পর কিশোরদের দৌড়ঝাঁপ, বড়দের আড্ডা, টুর্নামেন্ট ঘিরে উৎসব—সব মিলিয়ে মাঠটি ছিল জনজীবনের অংশ।

পাঠকমাত্রই জানেন, বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস হলেন প্রাক্–চৈতন্য যুগের দুজন বিখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা।

কত বই পড়ার সুযোগ হয়েছে। কত পাঠকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। পড়ুয়া কত কত মানুষের যে সান্নিধ্য পেয়েছি, তার কি শেষ আছে?

স্পটিকে আম্মা কিছুদিন পরপর পশু হাসপাতালে নিয়ে ওর আঁচড়/কামড়ে যাতে কারও ক্ষতি না হয়, তার জন্য ইনজেকশন দিয়ে আনতেন।

পাঠাগারে বিভিন্ন ধরনের ৪ হাজার ১৭৫টি বই রয়েছে। কিন্তু পাঠকের সংখ্যা নগণ্য। ভাষাশহীদের নেই কোনো স্মৃতিস্মারক।

বিভিন্ন রিলে বা ইউটিউবারদের কনটেন্টে শারমীন লাকীকে দেখে বোঝা গেল, দারুণভাবেই নিজেকে ফিট রেখেছেন। কীভাবে ধরে রেখেছেন তাঁর ফিটনেস, তা–ই জানালেন পাঠকদের।

ভালোই হলো আজ নতুন দুজনের সঙ্গে পরিচিত হয়ে। মনে হচ্ছে, খুবই সজ্জন, আমোদে ধাঁচের মানুষ তারা।

দুই বছর ধরে রেওয়াজ করার সময় ও মঞ্চে গাইতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। গলা খুসখুস করে, অনেক সময় গলা বসে যায়।

আমাদের এক বছরের সংসার, পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকে তাঁর যেমন আমাকে পছন্দ নয়, আমারও তাঁকে পছন্দ নয়।

ইউটিউবার মাহিম আহমেদ বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। খাবার নিয়ে ভিডিও বানান। পবিত্র রমজান উপলক্ষে ‘নকশা’র পাঠকদের জন্য বানালেন কয়েক ধরনের ইফতারি।