
লেবাননে ১২০টির বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
লেবাননে ১২০টির বেশি হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতি।

লেবাননে ১২০টির বেশি হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে সাময়িক যুদ্ধবিরতি।

গতকাল হিজবুল্লাহর ১০০টির বেশি অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালানো হয়।

বিস্ময়ের কথা, ইরানের এ সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর চরম কট্টরপন্থী, ইসরায়েলবিরোধী ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।

অন্তত এখন পর্যন্ত একটা বিষয় নিশ্চিত, এই যুদ্ধে ইরান হারেনি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভবিষ্যদ্বাণী অযৌক্তিক ও অতি-আত্মবিশ্বাসী বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিরোধীরা একজোট, নেতৃত্ব পরিবর্তনে ইসরায়েলের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের আশাবাদী।

ইসরায়েলি সমাজের ভেতরে বিপজ্জনক কিছু ঘটছে, যার পরিণতি পুরো অঞ্চলের জন্যই গুরুতর হতে পারে। গাজায় গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি সমাজ সচেতনভাবেই প্রতিশোধকেন্দ্রিক এক সহিংস বয়ানের ব্যাপক ঐকমত্য গড়ে তুলেছে—যে ভাষ্য শুধু ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে নয়, বরং এ অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধকে উৎসাহিত করে।

যুদ্ধবিরতির পর বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর রেদওয়ান ফোর্সের কমান্ডার মালেক বালু নিহতের দাবি করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলার নির্দেশ দিয়েছেন নিশ্চিত করেছেন। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান থামাবে না তাঁর দেশ।

শুভ সকাল! আজ ১৪ এপ্রিলের সকালে লক্ষ্মীপুরে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু, শিশু সোহা মনির বিদায়, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের সময়কাল, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি আলোচনা ও নেতানিয়াহুর ফোনকলের খবরগুলো পড়ুন। দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবরের সংক্ষিপ্ত হাইলাইটস।

শাহবাগের বিক্ষোভ সমাবেশে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর জেলে থাকার কথা কিন্তু তাঁদের ঔদ্ধত্যে বিশ্ব জ্বলছে। জাতিসংঘের মহাসচিবসহ সকলে পদত্যাগ করা উচিত কারণ যুক্তরাষ্ট্র এটাকে স্বীকার করে না। ইরান আক্রমণ ও সাম্রাজ্যবাদের প্রতিবাদে সমাবেশ আয়োজন করেছে ভাসানী পরিষদ।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে যে সুসম্পর্ক ছিল, তাতে এখন টানাপোড়েন দেখা দিচ্ছে।

ইসরায়েলে যুদ্ধের প্রতি সমর্থন কমছে, বিশেষ করে ইহুদিদের মধ্যে। জরিপে দেখা গেছে, দ্রুত যুদ্ধবিরতির দাবি বাড়ছে এবং ইরানের শাসন উৎখাতের আশা কমেছে। জনগণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও দীর্ঘ যুদ্ধে ক্লান্ত।