লালসালু ও এক ভুঁইফোড়ের কাহিনি
উপন্যাসটিকে অনেকেই সরলীকৃতভাবে মাজারবিরোধী পাঠ হিসেবে ব্যবহার করলেও, প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ‘ভুঁইফোঁড়’ পীরের মিথ্যা ক্ষমতাকেন্দ্র নির্মাণের কাহিনি, বাস্তব মাজারের প্রতিনিধিত্ব নয়।
উপন্যাসটিকে অনেকেই সরলীকৃতভাবে মাজারবিরোধী পাঠ হিসেবে ব্যবহার করলেও, প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ‘ভুঁইফোঁড়’ পীরের মিথ্যা ক্ষমতাকেন্দ্র নির্মাণের কাহিনি, বাস্তব মাজারের প্রতিনিধিত্ব নয়।
ঈদ উদ্যাপনের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ হলেও বাংলা ঈদসাহিত্যের সূচনা বিশ শতকের শুরুতেই।
সাক্ষাৎকারটি গুরুত্ব দুটো কারণে। প্রথমত, ১৯৭১ সালে খুনি পাকিস্তানিদের ‘মাইন্ড সেট’ বোঝার জন্য। দ্বিতীয়ত, সেই মানসিকতার কোনো পরিবর্তন পাকিস্তানিদের মধ্যে দেখা গেছে কি?
এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শুরু হয় উষারানী দেবীর আরেক জীবনসংগ্রাম। অবরুদ্ধ কিশোরগঞ্জ শহরে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন উষারানী দেবী।
বাংলায় চৈত্রে ফোটে পলাশ, শিমুল, অশোক, মাধবী, বকুল, গাব, নাগেশ্বর, মহুয়া, মাদার, করঞ্জা, শিরীষ, আর জীবনানন্দের ‘ভাটফুল’
১৯৭১ সালের প্রত্যেক শরণার্থীই ছিল একেকজন মুক্তিযোদ্ধা। তারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেনি; কিন্তু বিশ্বজনমত গঠন করতে সহযোগিতা করেছে।
জনপরিসর, যোগাযোগমূলক ক্রিয়া এবং আধুনিকতার অসম্পূর্ণ প্রকল্প—এই ধারণাগুলোর মধ্য দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন যে ন্যয়সংগত ও মানবিক সমাজ নির্মাণের সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি।
ফেসবুক আর ইউটিউবের কালে আমরা এখন প্রত্যেকে লেখক এবং প্রত্যেকে বক্তা ও নির্মাতায় পরিণত হয়েছি। তাতে মতপ্রকাশের সুযোগ উন্মুক্ত হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। কিন্তু তার উল্টো পিঠে কুন্ডেরার দুঃস্বপ্ন লুকানো।
গ্রন্থটির নামকরণে ইসলাম ধর্মের বিস্তারের কথা থাকলেও একই সময়েই—অর্থাৎ ওই মোগল আমলেই—পূর্ববঙ্গে হিন্দুধর্মেরও বিস্তার ঘটেছে।
ইসলাম খান চিশতীকে ১৬০৮ সালে (সম্ভবত মে মাসে) বাংলার সুবেদার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই পরিক্রমায় তিনি রাজমহল হয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে সময় নেন দুটি বর্ষাকাল।
নির্বাচনী প্রচার, নারী-স্বাধীনতা আন্দোলন, আঞ্চলিক আন্দোলন এবং বিশেষত হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার ভেতরে ক্যাসেটের ভূমিকা...
প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যে—ফুল্লরার বারমাস্যা, মৈমনসিংহ গীতিকার অকুতোভয় নারী চরিত্র কিংবা কালীঘাট পটে আঁকা এলোকেশী হত্যার চিত্রে—নারীর সামাজিক অবস্থান ও বঞ্চনার এক সুদীর্ঘ দেশজ ইতিহাস প্রোথিত রয়েছে।