
বাগেরহাটের ৪টি আসনের ৩টিতে জামায়াতের জয়, বিএনপির পরাজয়ের কারণ কী
অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপ, চাঁদাবাজি-দখল ও প্রার্থী নির্বাচনে ভুল—এসব কারণ বাগেরহাটে বিএনপির বড় পরাজয়ের কারণ বলে ধারণা রাজনীতিসচেতন স্থানীয়দের।

অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপ, চাঁদাবাজি-দখল ও প্রার্থী নির্বাচনে ভুল—এসব কারণ বাগেরহাটে বিএনপির বড় পরাজয়ের কারণ বলে ধারণা রাজনীতিসচেতন স্থানীয়দের।

আসনের ১৫১টি ভোটকেন্দ্রে আবুল বাশার মোট ভোট পেয়েছেন ৪২৪টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি কেন্দ্রে তিনটির কম ভোট পেয়েছেন তিনি। ফলে নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে তাঁর।

রংপুরকে বলা হতো জাতীয় পার্টির ঘাঁটি। সেখানে জামায়াতের উত্থান নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনি কথা হচ্ছে বিএনপি প্রার্থীদের পরাজয় নিয়েও।

যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার একাংশ) আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের ‘দ্বীপ’ ইউনিয়ন চরবিশ্বাসের এক মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা নুরুল হক (নুর) সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামী সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির শফিকুর রহমান।

বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন-পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয়, পেশাদার ও নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পপি খাতুন বলেন, ওখানে আসলে মব একটা ভায়োলেন্স তৈরি করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন, সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের প্রতি নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে তাঁরা এ আহ্বান জানান।

২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ফরিদপুর-২ আসন ছেড়ে ফরিদপুর-৪ আসনে নির্বাচনী কাজ শুরু করেন শহিদুল ইসলাম।

এবার আওয়ামী লীগবিহীন ভোটে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন পুনরুদ্ধার করেছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা।

এসব বাংলোবাড়ি–অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থান রাজধানীর রাজধানীর বেইলি রোড, মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডে। এলাকাগুলো ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত।