বাজারে এল রাজশাহীর হিমসাগর, ঈদের পর সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতা কম
ঈদের ছুটি প্রায় শেষ হলেও রাজশাহীর সবচেয়ে বড় আমের হাট বানেশ্বরে এখনো বেচাকেনার গতি ফেরেনি। বাজারে প্রতিদিন আমের সরবরাহ বেড়েছে। তবে সেই তুলনায় ক্রেতা ও পাইকারদের উপস্থিতি কম।
ঈদের ছুটি প্রায় শেষ হলেও রাজশাহীর সবচেয়ে বড় আমের হাট বানেশ্বরে এখনো বেচাকেনার গতি ফেরেনি। বাজারে প্রতিদিন আমের সরবরাহ বেড়েছে। তবে সেই তুলনায় ক্রেতা ও পাইকারদের উপস্থিতি কম।
নিত্যপণ্যের বাজারগুলোতে এখনো বেশির ভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। যাঁরা দোকান খুলেছেন, তাঁরা অনেকটা অলস সময় পার করছেন। কারণ, ক্রেতা উপস্থিতি হাতেগোনা।
কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করেছিলেন কিছু বাড়তি আয়ের আশায়। ক্রেতা না পাওয়ায় শতাধিক গরু ও খাসির চামড়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন ফেনীর দুই মৌসুমি ব্যবসায়ী।
দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তর রাজারহাট পাইকারি চামড়ার মোকামে চামড়া বিক্রি করতে এসে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন বিক্রেতারা।
সকাল ৯টার সময় এই বাজারে গিয়ে দেখা যায়, একটি আম ও কলার দোকান ছাড়া আর কোনো দোকান নেই। এই আম ও কলার ক্রেতার সংখ্যা দু–একজন।
সাভারের ট্যানারির মালিকেরা বলছেন, এ বছর কমবেশি ১ কোটি পিস কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়ছে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী কাঁচা চামড়ার ক্রেতা ও বিক্রেতা, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। বাজার পরিস্থিতি, মূল্য, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন তিনি।
ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ি, গাবতলী ও উত্তর শাহজাহানপুর পশুর হাট ঘুরে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা যায়। বিপরীতে হাটে পর্যাপ্ত গরু দেখা গেছে।
টানা বৃষ্টি ও কাদাপানির মধ্যে মৌলভীবাজারের কোরবানির পশুর হাটে ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। শেষ মুহূর্তের হাটে ছোট গরুর চাহিদা থাকলেও বড় গরু বিক্রি নিয়ে হতাশ খামারি ও ব্যবসায়ীরা।
ঢাকার অদূরে সাভারে পশুর হাটে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে হাটের ইজারাদারের লোকজনের হামলায় এক গরু বিক্রেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
চট্টগ্রামের অনেক মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীর মুখে এবার একই ধরনের হতাশা। গত ঈদে মৌসুমি বিক্রেতারা প্রত্যাশিত দাম পাননি। কেউ গরুর চামড়া কেনা দামের অর্ধেকেরও কমে বিক্রি করতে বাধ্য হন। আবার কেউ শেষ পর্যন্ত কোনো ক্রেতাই পাননি।
বিবিরহাট ও সাগরিকা পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, এবার গরুর তুলনায় ছাগলের খোঁয়াড়ে ভিড় বেশি। বিশেষ করে ছোট পরিবার ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের আগ্রহ চোখে পড়েছে। তবে দাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বক্তব্যে মিল নেই। ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় ছাগলের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, শেষ দিনে এসে উল্টো কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।