
এবার উত্তর ও দক্ষিণ সিটির সেই দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত
প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে অবহেলার অভিযোগে ওই দুই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে অবহেলার অভিযোগে ওই দুই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছিল।

সরকার নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বড় আকারের গরুর চামড়ার দাম দাঁড়ায় ১,২০০ টাকা। কিন্তু ঢাকায় এই ধরনের চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ায় বিপুল পরিমাণ চামড়া ফেলে দেওয়া, মাটিতে পুঁতে ফেলার যে চিত্র দেখা গেল, সেটা হতাশাজনক।

পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে ত্যাগের মানসিকতা গড়ে তোলা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েও কোরবানির চেতনা জীবন্ত রাখা সম্ভব।

চট্টগ্রাম নগরের ব্যস্ততম সড়কের ওপর লবণজাত করা হচ্ছে কোরবানির পশুর চামড়া। নগরের আতুরার ডিপো থেকে আমিন জুট মিল পর্যন্ত মুরাদপুর-অক্সিজেন সড়ক দখল করে রাখা হয়েছে চামড়া।

বগুড়ার শাজাহানপুরে সরকারি চাঁচাইতারা মাদলা যুক্ত উচ্চবিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ‘বিদায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের সংবর্ধনা, প্রয়াতদের জন্য দোয়া ও ফ্যামিলি মিট-২০২৬’ আয়োজন করে।

প্রতি ঈদে সেরা গরু নির্বাচন করা ছিল আমাদের বিশেষ দায়িত্ব। দুপুর গড়িয়ে বিকেলে রাস্তায় সারি সারি গরু যেত, গরুগুলো সাজানো থাকত নানা রঙে। গলায় মালা, পিঠে ফিতা, কপালে ঝলমলে আবরণে মনে হতো গরুগুলো অন্য এক পৃথিবী থেকে এসেছে।

ঈদুল আজহায় রাজধানীতে কোরবানি না দেওয়া পরিবার ও একক ব্যক্তিরা মাংস কেনায় চাহিদা বেড়ে যায়।

বিসিকের তথ্য অনুসারে, ঈদের দিন বিকেল থেকে শুরু করে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১ হাজার ৭১৩টি চামড়াবাহী ট্রাক চামড়াশিল্প নগরীতে প্রবেশ করেছে।

এবার কোরবানি ঈদের আগে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের একটি মহিষ নিয়ে বেশ আলোচনা তৈরি হয়। সাদা-ক্রিম রঙের শরীর, মাথায় সোনালি ঝুঁটির মতো লোম, গোলাপি আভাযুক্ত নাক—সব মিলিয়ে মহিষটি দ্রুত মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রে চলে আসে।

বাজারজুড়ে পর্যাপ্ত চামড়া থাকলেও বিক্রি না হওয়ায় চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

ঈদের সকালটা অন্য দিনের মতোই শুরু হয়েছিল। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়েন এমদাদুল ইসলাম। তাঁদের বাড়িতে পশু কোরবানি হয়নি। তাই বিকেলে বড় বোনের শ্বশুরবাড়িতে যান কোরবানির মাংস আনতে।