যুদ্ধ নাকি শান্তিচুক্তি, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কোন পথে হাঁটছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও ছোটখাটো সংঘাত চলছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিলেও ছোটখাটো সংঘাত চলছে।
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সব দূতাবাস ও কূটনৈতিক দপ্তরকে অবিলম্বে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মাঝে ড্রোন হামলা এবং তেল রপ্তানির পথে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সৌদি আরব।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি হতে হলে একটি ‘ইসরায়েল বাধা’ টপকাতে হবে।
নতুন করে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা এই অঞ্চলের আকাশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসন ও রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী উপায়ে।
পশ্চিম ইউরোপের অভিজাতরা এখন আরও বেশি সতর্ক এবং আরও বেশি আপসকামী হয়ে উঠেছে।
পরিবারকে সময় দেওয়া, নতুন পথচলা আর নতুন সূচনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে ফারসি নববর্ষ ‘নওরোজ’।
সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব যে রাজনৈতিক বিজয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এ যুগে যুদ্ধ হয়ে উঠেছে আরও জটিল।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানত ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানাচ্ছে না, তবু ইসরায়েলের মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়ায় বলে দাবি করেছেন সাবেক সন্ত্রাসবাদবিরোধী কর্মকর্তা জো কেন্ট। হোয়াইট হাউস এই দাবিকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। যুদ্ধবিরতি চললেও অবরোধ অব্যাহত রয়েছে।
ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন দর-কষাকষির সম্ভাবনা রয়েছে। লেখকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ইরানিদের কাছে চুক্তি মানেই নতুন আলোচনার শুরু। ট্রাম্পের চরম অবস্থান এবং ইরানের কৌশল টেকসই শান্তি বাধা দিচ্ছে।
ইসরায়েলের আরাদ, দিমোনা ও তেল আবিব শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন।