ট্রাম্প কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান যুদ্ধে টেনে নিয়েছিলেন
ইরানে অভিযানের জন্য টানা চাপ দিয়ে আসছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তারপরই যুদ্ধে নামলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানে অভিযানের জন্য টানা চাপ দিয়ে আসছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তারপরই যুদ্ধে নামলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসের ঘোষণার পর সবাই আশা করেছিল ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ নিয়ে বড় ঘোষণা করবেন, কিন্তু বুধবারের সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি পুরোনো কথাই পুনরাবৃত্তি করলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে নতুন কোনো পরিকল্পনা নেই। আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে সংক্ষিপ্ত।
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে আসছে ইরান।
কোন দিকে তাকাব, কাকে সমর্থন করব? মন ভাবছে একদিকে, চোখ দেখছে অন্যদিকে। মন বলছে, ইরানের পরাজয় মানে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা।
ট্রাম্প ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করায় তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এর গুরুত্ব দেননি। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু যুদ্ধবিরতি এখনো স্থায়ী হয়নি।
এই প্ল্যান্টগুলো যদি হামলা চালিয়ে ধ্বংস করা হয়, তাহলে কী হবে তা নিয়ে এখনও তেমন কোনো আলোচনা শোনা যাচ্ছে না।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে। এ সংঘাত আর কেবল আঞ্চলিক সীমার ভেতর সীমাবদ্ধ নেই; এর অভিঘাত পৌঁছে গেছে বৈশ্বিক স্তরে।
ট্রাম্পের দাবি, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করাই এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
ইরান এই ক্রিপ্টোকারেন্সি জমা করে সেগুলোকে চীনা মুদ্রা রেনমিনবিতে রূপান্তর করে।
যুদ্ধের দ্বিতীয় দিন থেকেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দৃশ্যমান ক্ষয়ক্ষতির বোঝা চাপিয়ে দিতে শুরু করে। তাদের এই কৌশলে চাপে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরান যুদ্ধে কোনো পক্ষের জয় নেই, সবাই হেরে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল থেকে শুরু করে ইউরোপ, চীন, ভারত ও বাংলাদেশ—সবার অর্থনৈতিক, সামরিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে। এই ‘উলঙ্গ রাজা’ যুদ্ধে শেষে কেউ জয়ী থাকবে না।
আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির পর ইসরায়েলে হতাশা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।