শাওয়ালের ছয় রোজা: অল্প আমলে সারা বছরের সওয়াব
যখন একজন বান্দা পূর্ববর্তী নেক আমল করার পর পুনরায় নেক আমল করার তাওফিক পান, সেটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমল কবুলের একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।
যখন একজন বান্দা পূর্ববর্তী নেক আমল করার পর পুনরায় নেক আমল করার তাওফিক পান, সেটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমল কবুলের একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।
ঈদের দিনে রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে মেহমানদারির দিন। মহানবী (সা.) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনে রোজা রাখতে বিশেষভাবে নিষেধ করেছেন।
সারা দেশে সব মসজিদে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা পালিত হয়।
যে রোজা রাখে, অন্য কারও তা জানার সুযোগ নেই। কেউ যদি সাহ্রি ও ইফতার করে মাঝখানে গোপনে কিছু খেয়ে ফেলে, তবে মানুষ তা বুঝতে পারবে না।
রোজা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে শেখায়। কিন্তু দোয়া কবুলের শর্ত হলো—আল্লাহর নির্দেশ মান্য করা এবং তাঁর ডাকে সাড়া দেওয়া। নিছক মুখের কথা যথেষ্ট নয়।
স্মার্টফোনের স্ক্রিনই চোখের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার জায়গা। অপ্রয়োজনীয় ব্রাউজিং আমাদের মূল্যবান সময় যেমন নষ্ট করছে, তেমনি অবচেতন মনে আমাদের দৃষ্টিকে হারামের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
রোজা সেই প্রশিক্ষণের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর উদ্দেশ্য কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করা নয়; বরং তাকওয়া অর্জন, আত্মসংযম শেখা এবং আল্লাহকেন্দ্রিক জীবন গঠন করা।
নবীজি তাঁর উম্মতকে রমজানে চারটি আমল বেশি করতে বলেছেন। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, আর দুটি আমল এমন, যা না করে বান্দার উপায় নেই।
‘রমজান’ শব্দটির আভিধানিক অর্থই হচ্ছে উত্তাপ, তাপের উচ্চমাত্রা বা পুড়িয়ে দেওয়া। রমজানকে তাই বলা যায়, গুনাহগার বান্দাদের গুনাহগুলো পুড়িয়ে নিজেদের শুদ্ধ করার মাস।
রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।
পুরো মাস রমজানের রোজা রেখে আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ তাঁর আরও প্রিয় হয়ে ওঠেন। বরকতের নদী উপচে পরে মহান বান্দার ওপর। তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ পুরস্কার।
রমজানের ইবাদতের আরও একটি গভীর ও নীরব দিক আছে। সেটি হলো— যা আমরা করি, তা দিয়ে নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা আমরা ‘করি না’ বা বর্জন করি।