বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থকের বাড়িতে পেট্রলবোমা হামলা, অগ্নিকাণ্ড
নড়াইল সদর উপজেলায় বিএনপির এক নেতার বাড়িতে পেট্রলবোমা ছুড়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এতে দুই কক্ষের ঘরটিতে থাকা মালামাল পুড়লেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
নড়াইল সদর উপজেলায় বিএনপির এক নেতার বাড়িতে পেট্রলবোমা ছুড়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এতে দুই কক্ষের ঘরটিতে থাকা মালামাল পুড়লেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপ, চাঁদাবাজি-দখল ও প্রার্থী নির্বাচনে ভুল—এসব কারণ বাগেরহাটে বিএনপির বড় পরাজয়ের কারণ বলে ধারণা রাজনীতিসচেতন স্থানীয়দের।
যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার একাংশ) আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।
নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে আজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক পদে ইস্রাফিল খবির (রাজু) জয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে যশোরে এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলেছে। দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে এককভাবে নির্বাচন করা বিএনপি ও জামায়াতের জন্য আশীর্বাদ ও চ্যালেঞ্জ, উভয়ই বয়ে এনেছে।
যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থীদের ভূমিধস পরাজয় ঘটেছে। একটিমাত্র আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের পরাজয়ের জেরে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে উঠেছে।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারকে মিষ্টিমুখ করিয়েছেন জামায়াতের জয়ী প্রার্থী মো. আমির হামজা।
বিএনপির ‘দুর্গ’খ্যাত ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শুধু ঝিনাইদহ–১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি নেতা সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন।
বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বাকি একটি আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জেলার সব আসনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পরাজিত করে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরার দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দিয়েছেন অধিকাংশ ভোটার।