পাকিস্তান–আফগানিস্তান লড়াই কেন জোরালো হচ্ছে
গত ছয় মাস ধরে অস্থির পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্ত। ইরান যুদ্ধের কারণে তা প্রচারে তেমন না এলেও হতাহতের সংখ্যা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের চেয়ে বেশি।
গত ছয় মাস ধরে অস্থির পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্ত। ইরান যুদ্ধের কারণে তা প্রচারে তেমন না এলেও হতাহতের সংখ্যা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের চেয়ে বেশি।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে কৃচ্ছ্রসাধনমূলক নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৫২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধকে ঘিরে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে দেশের সমুদ্রগামী মৎস্য খাতে। ডিজেলের সংকটের কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সমুদ্রগামী হাজারো মাছ ধরা ট্রলার সাগরে মাছ আহরণে নামতে পারছে না।
মধ্যপ্রাচ্যের দায়িত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কমান্ডের (সেন্টকম) বাইরে অন্য কমান্ডে থাকা কর্মকর্তাদের এই হামলার ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে ইরান আত্মসমর্পণ করতে চলেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ টানা কয়েক বছর ধরে বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার ও খাদ্য সরবরাহব্যবস্থাকে অস্থির করে রেখেছে। এই সংঘাতগুলো শুধু আঞ্চলিক সামরিক দ্বন্দ্ব নয়; এর প্রভাব এখন বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে শুরু করে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা আর জীবনযাত্রায় সরাসরি আঘাত হানে।
ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়লেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা এখন বিতর্কে জড়িয়েছেন, কখন ও কীভাবে এই যুদ্ধে ‘বিজয়’ ঘোষণা করা উচিত।
মধ্যপ্রাচ্যের বিশৃঙ্খলা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর লাভ নেই। আরব বিশ্বেরও নেই। কিন্তু একটি রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মনে করে, অঞ্চলে শক্তির শূন্যতা তৈরি হলে তার আপেক্ষিক শক্তি বাড়ে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ ভারত বিবেচনা করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে।