এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ নিজেদের ভেতরে একটা গুণগত পরিবর্তন: তাহের
যেকোনো বিষয়ে ইতিবাচক সমাধানের বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াত মৌলিকভাবে একমত হয়েছে।
যেকোনো বিষয়ে ইতিবাচক সমাধানের বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াত মৌলিকভাবে একমত হয়েছে।
বিএনপির বিদ্রোহী ছিল—এমন ২১টিতে জিতেছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা। ৭টিতে জিতেছেন বিদ্রোহীরা।
জামায়াত সরকার গঠন করার মতো অবস্থানে যেতে না পারলেও তাদের ফল ভালো হয়েছে। কারণ, তারা এর আগে কখনোই ১৮টির বেশি আসন পায়নি।
ঢাকার ২০ আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপি ১৩, জামায়াত ৬ ও এনসিপি ১টি আসনে জয়ী।
আল–জাজিরা খবরে বলেছে, ‘জামায়াত ফলাফল প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জেলার সব আসনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পরাজিত করে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
এসব ভোটকেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে জামায়াত।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় এই অঙ্গীকারগুলো করেছে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি।
বরিশাল–৪ (মেহেন্দীগঞ্জ ও হিজলা) আসনে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর বিএনপির প্রার্থীর নেতা–কর্মীদের হামলার অভিযোগ করেছে জামায়াত।
মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অধিকাংশ আসনে বিএনপির অবস্থা ভালো হলেও কয়েকটি আসনে জামায়াত নীরবে শক্ত অবস্থান গড়েছে।
‘সোচ্চার-টর্চার ওয়াচডগ বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠনের জরিপ বলছে, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির প্রধানেরা নিজ নিজ আসনে এগিয়ে আছেন।
কৌতূহলবশত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর (যেমন বিএনপি বা জামায়াত) ইশতেহার বা ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখলাম শিক্ষা নিয়ে তাদের কী পরিকল্পনা। হতাশাজনকভাবে, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্ট বা যুগোপযোগী কোনো পরিকল্পনা চোখে পড়ল না।