
মাসে ২৭ হাজার ৬১ টাকা দিয়ে ১৫ বছরে কোটিপতি হোন
সব ব্যয় মিটিয়ে হাতে যদি এক কোটি টাকা থাকে, তাহলে জীবনের শেষ অধ্যায় স্বস্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে কাটানো সম্ভব।

সব ব্যয় মিটিয়ে হাতে যদি এক কোটি টাকা থাকে, তাহলে জীবনের শেষ অধ্যায় স্বস্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে কাটানো সম্ভব।

কোর্ট হাউসের সামনে সকালটা অস্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল। রোদ আছে, কিন্তু উষ্ণতা নেই। বাতাসে কাগজের গন্ধ—পুরোনো ফাইল, পুরোনো রায়, পুরোনো গল্পের ঝাঁজ। রাজু হাতে একটা পাতলা ফাইল নিয়ে ধীরে ধীরে হাঁটে। কাগজগুলো নড়ছে, যেন নিজেরাও জানে—এদের ভেতরে লেখা শব্দগুলো মানুষের জীবন ভেঙে দেয়।

আলোর দুহাত দিয়ে আমায় জড়িয়ে রেখেছে ঠোঁটের স্পর্শে মাখামাখি হচ্ছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর নেতারা জান্নাত বিক্রি করে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করছেন। জান্নাতের মালিক তো মহান আল্লাহ। জান্নাতে কে যাবেন, কে যাবেন না—তা নির্ধারণ আল্লাহর হাতে। তাহলে জামায়াতকে জান্নাত বিক্রির ঠিকাদারি কে দিল।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘একটা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখ আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। ৫৪ বছরে যাঁরা রাজনীতি করেছেন, অনেকেই চেষ্টা করেছেন। আমরা কারও আন্তরিকতার ওপর কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই না।’

স্কুল পালানো ছেলেটার কৈশোরটা সত্যিই যেন একধরনের সিনেম্যাটিক যাত্রা। প্রতিদিন সকালে বই–খাতা হাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে অনেক সময়ই তাঁর গন্তব্য হতো কাছের সিনেমা হল কিংবা পাবলিক লাইব্রেরি।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘কেউ যদি পেশিশক্তি ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে। ভয় দেখিয়ে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার দিন শেষ।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আজ ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন বৈভব সূর্যবংশী। বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর এই অবিশ্বাস্য ইনিংসে হয়েছে একের পর এক রেকর্ড।

ভোলার মনপুরা উপজেলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুই দলের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড আকমল আলী রোডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন সমুদ্রসৈকত। পাড়ে বসে একদল তরুণ গিটার হাতে গান করছেন। তাঁদের সঙ্গে গানে গলা মেলালেন সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

লিগবিহীন অবস্থায় হকি খেলোয়াড়দের দেখা মেলে শুধু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট এলেই। তা–ও বছরে হাতে গোনা এক-দুটি টুর্নামেন্টই খেলার সুযোগ হয় তাঁদের।

প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলশিল্পের নিয়ন্ত্রণ কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।