
ঐক্যের অভাব ও সাংগঠনিক দুর্বলতায় ‘সুযোগ’ কাজে লাগাতে পারেনি বিএনপি
রংপুরকে বলা হতো জাতীয় পার্টির ঘাঁটি। সেখানে জামায়াতের উত্থান নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনি কথা হচ্ছে বিএনপি প্রার্থীদের পরাজয় নিয়েও।

রংপুরকে বলা হতো জাতীয় পার্টির ঘাঁটি। সেখানে জামায়াতের উত্থান নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনি কথা হচ্ছে বিএনপি প্রার্থীদের পরাজয় নিয়েও।

যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার একাংশ) আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।

সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে আরেকটি জুলাই তৈরি হবে।

২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ফরিদপুর-২ আসন ছেড়ে ফরিদপুর-৪ আসনে নির্বাচনী কাজ শুরু করেন শহিদুল ইসলাম।

এবার আওয়ামী লীগবিহীন ভোটে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন পুনরুদ্ধার করেছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা।

সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের পরাজিত করে জয় পেয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। এর মধ্যে দুটি আসনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও বাকি দুটি আসনে কার্যত প্রতিযোগিতা গড়ে তুলতে পারেনি বিএনপি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্বামীর কথামতো ভোট না দেওয়ায় এক নারীকে (৫০) মৌখিকভাবে তালাক দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভোটের পরের দিন গত শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ–সংক্রান্ত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

শুধু চট্টগ্রাম-৮ নয়, চট্টগ্রামের ১৪টি আসনে প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।

ইসলামপন্থীরা সবচেয়ে কম আসন পায় ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন দুটি ইসলামপন্থী বড় দলগুলো বর্জন করে।

খুলনা-১ আসনে জয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান। খুলনা-৫ আসনে বিসিবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগার জয়ী হয়েছেন।

যেকোনো বিষয়ে ইতিবাচক সমাধানের বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াত মৌলিকভাবে একমত হয়েছে।

খুলনা-৬ আসনে পরাজিত বিএনপির প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই ভোটার ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে এলাকায় এলাকায় ঘুরছেন।