
চট্টগ্রামের দুই আসনে ধানের শীষের বিরুদ্ধে লড়বেন বিএনপির তিন বিদ্রোহী
চট্টগ্রামের দুই আসনে বিএনপির তিন বিদ্রোহী

চট্টগ্রামের দুই আসনে বিএনপির তিন বিদ্রোহী

নওগাঁর তিনটি আসনে বিএনপির তিন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় ভোটের মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর নওগাঁর এই তিন আসন এখন জেলাজুড়ে আলোচনায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি সংসদীয় আসনে এখনো বিএনপির ছয়জন নেতা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।

শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাছাইপর্বে বাতিল হয়েছে। গতকাল অনেকে প্রত্যাহারও করেছেন।

৭৯ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ ৯২ জন

রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের পেছনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নয়, বিএনপি ও ছাত্রদল দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী পলাশ বখতিয়ার।

মনোনয়নপত্র বাতিলের ইসির সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের করা রিটের ওপর আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন রেখেছেন হাইকোর্ট।

নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও কৃষক লীগের সাবেক নেতা হেদায়েত আলী শাহ ফকির বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী।

কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছেন।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।