ইরান যুদ্ধের চার মাস: সবচেয়ে বেশি পকেট ভারী হলো কাদের
কিছু কোম্পানির জন্য এই সংঘাত উল্টো বিপুল মুনাফা অর্জনের বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।
কিছু কোম্পানির জন্য এই সংঘাত উল্টো বিপুল মুনাফা অর্জনের বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে গতকাল শনিবার একটি তেলবাহী জাহাজে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানার পর নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও ইরানের মধ্যে যে এলোমেলো, অসংলগ্ন কূটনীতি চলছে, তা দেখে অনেকেরই মনে হতে পারে যে বিশ্বরাজনীতি যেন সম্পূর্ণ দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছে।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে।
ভবিষ্যতের এসব আলোচনা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স কীভাবে সামলান, তার ওপর নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ফলাফল ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর নিজের ভবিষ্যৎ।
ভীতিকর অবস্থা ছিল, যদি কোনো কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কারণ, ওপরে ড্রোনের ভয়, আর নিচে মাইন কিংবা ছোট সাবমেরিনের ভয়।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন ইরানের তেল বিক্রির ওপর থেকে ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে যে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে, তাকে স্বাগত জানানো হলেও এটি কিছু কঠিন সত্য সামনে নিয়ে এসেছে।
ইরান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। সেই অনুযায়ী, লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি তার ওপর পাল্টা আঘাত হানবে।
ট্রাম্প গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই চুক্তি আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’
এরই মধ্যে ৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহু অক্টোবরের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। জনমত জরিপে এবারের নির্বাচনে তাঁর ডানপন্থী জোটের পরাজয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।