আমরা চাই একটি সাম্যের বাংলাদেশ: জামায়াতের আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা চাই একটি সাম্যের বাংলাদেশ। একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। একটি চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ। একটি দখলবাজমুক্ত বাংলাদেশ। একটি আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা চাই একটি সাম্যের বাংলাদেশ। একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। একটি চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ। একটি দখলবাজমুক্ত বাংলাদেশ। একটি আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ।’
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি, আমরা তোমাদের এমন একটা মায়ের জাতি উপহার দেব ইনশা আল্লাহ, যাঁরা ঘরে, যাতায়াতে এবং কর্মস্থলে পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে দেশ গড়ার কাজে অবদান রাখবেন। সেখানে তাঁরা সম্পূর্ণ নিরাপত্তা এবং সম্পূর্ণ সম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।’
খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের প্রার্থী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ বৃহস্পতিবার সকালে ডুমুরিয়া উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।
মাগুরায় নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে মহাসড়ক আটকে জনসংযোগ ও সভা করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতের দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
কুমিল্লায় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলিসহ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ছুফুয়া এলাকায় নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেন আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে দিনাজপুরে যাবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আগামীকাল শুক্রবার দুপুরে দিনাজপুর শহরের গোর-এ-শহীদ ময়দানে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা।
ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনের সব কটিতে বিএনপি ও পাঁচটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে আটটিতে বিএনপির ও একটিতে জামায়াতের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও নরসিংদী-২ আসনের ১০–দলীয় জোটের প্রার্থী মো. গোলাম সারোয়ার ওরফে সারোয়ার তুষারের আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আমজাদ হোসাইন।
মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। খুব স্বাভাবিকভাবেই সেই নির্বাচনে দলটির বড় বিজয় পাওয়াটা নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু দলটির নেতা-কর্মীদের কারচুপি, অনিয়মের কারণে নির্বাচনটি বিতর্কিত হয়।
নির্বাচন কমিশন বিএনপি এবং জামায়াতের দিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম।