চট্টগ্রামের প্রার্থীদের কার হাতে নগদ কত টাকা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৪৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ১৭ জন, জামায়াতে ইসলামীর ১৪ জন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৪৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ১৭ জন, জামায়াতে ইসলামীর ১৪ জন।
স্থাবর সম্পদে এগিয়ে আছেন কুমিল্লা-৯ আসনের মো. আবুল কালাম। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা। এরপরই আছেন কুমিল্লা-৭ আসনের রেদোয়ান আহমেদ।
নির্বাচনের মাঠে সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে বর্তমান ডিসি ও এসপিদের সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনটি যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। তবে নির্বাচনী মাঠে আছেন বিএনপির দুই ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম।
আজ শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
আজ শুক্রবার সকালে নিজ জেলা মাগুরায় নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সিটি করপোরেশনের পাওনা দেননি, প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বিএনপির শরিক দলের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীবকে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিবসহ জেলার শীর্ষ ওলামা মাশায়েখরা সমর্থন দিয়েছেন।
নির্বাচন চলাকালে পৃথক ঘটনায় মোট সাত ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিক থেকে কিছু অভিযোগ এসেছে।
নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি করে দিয়ে সারজিস আলম বলেন, ‘বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীলনকশা কেউ যদি করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে।’
এবারের নির্বাচন কোনো সহজ অর্জন নয় উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, এই নির্বাচন পেতে সহস্র মানুষ শহীদ হয়েছেন, অসংখ্য মানুষ গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।