একসময়ের ভিপি হলফনামায় কেন ‘স্বশিক্ষিত’ লিখেছেন
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনে এবার জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনে এবার জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর।
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থী এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। তিনি বছরে আয় করেন ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ, কানাইঘাট) আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুককে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
গোপালগঞ্জ-২ (সদর ও কাশিয়ানীর একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়ার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান সমন্বয়কারী মুজিবুর রহমান সিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানকে বহিষ্কার করেছিল বিএনপি।
আজ সোমবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের শাখাইতি গ্রামে এক উঠান বৈঠকে বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতেই জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা প্রার্থী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরুর আগেই পোস্টার ও স্টিকার টানানোর অভিযোগে নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
কাদের সিদ্দিকী তাঁর নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে সমর্থন দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীরকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা, মব সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ না হওয়ায় প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, সেটি নিরসনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।