
চার আসনে বিএনপির বিশাল জয় ও দুই আসনে হারের নেপথ্যে
যে দুটি আসনে জামায়াত জিতেছে তাঁদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর ব্যবধান ন্যূনতম। বিএনপির নেতা-কর্মীরাই এ ব্যবধানের কারণ ঠিকমতো ধরতে পারছেন না।

যে দুটি আসনে জামায়াত জিতেছে তাঁদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর ব্যবধান ন্যূনতম। বিএনপির নেতা-কর্মীরাই এ ব্যবধানের কারণ ঠিকমতো ধরতে পারছেন না।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে ৩০টির বেশি স্থানে দলের নেতা–কর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিএনপির নেতা–কর্মীরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পরাজিত প্রার্থী সারজিস আলম।

রুমিন ফারহানার বড় জয়ের চার কারণ

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাছুম মোস্তফাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। দাঁড়াপাল্লা প্রতীকে তিনি ভোট পেয়েছেন ৮২ হাজার ১৭৭ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।

গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট।

একটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদাকে হারিয়ে দিয়েছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান। স্বতন্ত্র পরিচয়ে তিনি হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন।

চট্টগ্রামে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়েকটি আসনে নতুন মুখের জয়ই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। প্রথমবার সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েই পাঁচজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজন বিএনপির ও একজন জামায়াতে ইসলামীর। ভোটাররা বলছেন, স্থানীয় বাস্তবতা ও সম্ভাবনা বিবেচনা করেই অনেকেই এই প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।

বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের সব কটিতেই বিএনপির প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানা ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন।

কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এসব আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গণভোটে চারটিতে ‘হ্যাঁ’ এবং একটি আসনে ‘না’ জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।