যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির পথে কেন বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন নেতানিয়াহু
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি হতে হলে একটি ‘ইসরায়েল বাধা’ টপকাতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি হতে হলে একটি ‘ইসরায়েল বাধা’ টপকাতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বন্ধে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সমঝোতা আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা।
যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি; যদিও ইউরেনিয়ামের মজুত এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার মূল বিরোধগুলো এখনো কাটেনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলে পর্দার আড়ালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন সামরিক পদক্ষেপেরই অংশ ছিল এ বিমান হামলাগুলো।
ট্রাম্প ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করায় তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এর গুরুত্ব দেননি। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু যুদ্ধবিরতি এখনো স্থায়ী হয়নি।
ইসলামাবাদে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত নিরসনে আলোচনা শুরু হতে পারে। মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় দুই পক্ষ এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে কাজ করছে, যাতে পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত। তবে কয়েকটি বড় বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।
অনেক বিশ্লেষকের মতে, ইরানের নেতৃত্ব প্রকৃতপক্ষে ট্রাম্পের বর্ণনার চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ।
নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান থামাবে না তাঁর দেশ।
হোটেলের লবি–সংলগ্ন একটি ছোট কনফারেন্স রুম, যার নাম ‘ফয়সালাবাদ রুম’, সেখানেই মূল আলোচনাগুলো হয়েছে।
ইরানে অভিযানের জন্য টানা চাপ দিয়ে আসছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তারপরই যুদ্ধে নামলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করলে ইসরায়েলও হামলা বন্ধ করবে। টাইম সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের চাপ স্বীকার করেন এবং নেতানিয়াহুর নির্ভরশীলতা তুলে ধরেন। যুদ্ধের কৌশল ও এআই ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।
ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধের সফলতা বিপন্ন। তুরস্কের ডার্ডানেলেস ও গ্যালিপোলির ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে মন্ট্রে কনভেনশনের মতো চুক্তির মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। চার্চিলের ভুল এড়াতে কূটনৈতিক পথ বেছে নেওয়া জরুরি।