বরিশালে এবার গরুর দাম বেশি, বিক্রি তুলনামূলক কম হওয়ায় হতাশা
গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেশি হাঁকা হচ্ছে।
গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেশি হাঁকা হচ্ছে।
গরুর রশি ধরে দাঁড়িয়েছিলেন সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি গ্রামের নরেশ রায়। তাঁর পায়ের কিছু অংশ কাদার ভেতরে ঢুকে আছে। এতে তাঁর বিরক্তির শেষ নেই।
বছরের পর বছর পরম যত্নে লালন-পালন করে কোরবানির হাটের জন্য বিশাল আকৃতির গরু প্রস্তুত করেছিলেন ভোলার খামারি দুলাল ব্যাপারী। কিন্তু ঈদ সামনে এসেও কাঙ্ক্ষিত দামে গরু বিক্রি না হওয়ায় এখন দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাঁর।
ময়মনসিংহের অস্থায়ী পশুর হাটে ‘কমিশনার’ নামের বিশালাকৃতির কালো ষাঁড় ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড়, সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রির আশা খামারির।
চেয়ারেই বসে হিসাব কষছিলেন আবদুল আজিজ। কথা বলতে বলতেই জানালেন, এবার গরুর দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। কারণও ব্যাখ্যা করলেন তিনি।
যে দুর্ঘটনার কথা লিখছি, তা ‘ডিমোশনের’—ইমোশন থেকে একজনের বদলে যাওয়ার ঘটনা।
২০ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত চার দিনে পদ্মা নদীর চারটি ঘাট দিয়ে এই চর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ১০৯ ট্রাক গরু পার হয়েছে। প্রতিটি ট্রাকে ১৮ থেকে ২০টি গরু নেওয়া হয়।
জোড়াগেট পশুর হাটে মূল কেনাবেচা হয় ঈদের আগের দুই দিন ও ঈদের দিন সকালে। এখন অনেকে পশু দেখছেন, দরদাম করছেন, কিন্তু হাতবদল হচ্ছে কমই।
শহুরে ব্যস্ততা এবং প্রবাসীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রির বিজ্ঞাপন এখন বেশ জনপ্রিয়। ইসলামের এই আধুনিক ব্যবস্থাকে কীভাবে দেখে?
চট্টগ্রামে কোরবানির পশু কেনার ধরন এখন বদলে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও অধিকাংশ মানুষ নির্ভর করতেন সাগরিকা, বিবিরহাট কিংবা অস্থায়ী পশুর হাটের ওপর। এখন ধীরে ধীরে সেই জায়গা নিচ্ছে খামার। এর পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, খামারে ভিড় কম। কাদা, যানজট ও ঠেলাঠেলির ঝামেলা নেই। পরিবার নিয়ে গিয়ে নিশ্চিন্তে গরু দেখা যায়।
চকচকে কালো রঙের বিশালদেহী গরু। ঠিক পাশেই বাঁধা একটি খাসি। কালো-সাদা রঙের মিশেলে লোমশ শরীর, মাথায় বাঁকানো শিং।
অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রির পাশাপাশি ‘ভাগে’ কোরবানি দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।