‘রিভিলেশন’: মহানবীর (সা.) জীবনী রচনায় সর্বাধুনিক উপস্থাপনা
বইটি প্রকাশের পর থেকে ইংরেজিভাষী মুসলিম–মুসলিম পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়। বইটি দেখলে জীবনীগ্রন্থ মনে হয় না, বরং যেন একটি সুপরিকল্পিত ‘স্টাডি গাইড’।
বইটি প্রকাশের পর থেকে ইংরেজিভাষী মুসলিম–মুসলিম পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়। বইটি দেখলে জীবনীগ্রন্থ মনে হয় না, বরং যেন একটি সুপরিকল্পিত ‘স্টাডি গাইড’।
রমজানে দান-সদকা অন্যের রোজা, নামাজ ও জিকিরের সহায়ক হয়ে ওঠে; ফলে সাহায্যকারী ব্যক্তি পরোক্ষভাবে ঐ সব ইবাদতের অংশীদার হয়ে যায়।
আবু তালিবের মৃত্যুর কিছুকাল পরে এই দিনে খাদিজা (রা.)-এর বিদায় নবীজির জীবনে বিশাল শূন্যতা তৈরি করে, যা ইতিহাসে শোকের বছর হিসেবে পরিচিত।
রমজানের আগ থেকে নবীজি রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রমজান শুরু হলে নিজেকে পুরোপুরি ইবাদতে মশগুল করে রাখতেন। শেষ দশকে নিজের পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।
মুসলমানদের কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ অমান্য করলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও শাসকদের অপসারণের হুমকি দেওয়া হয় এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টির ভয় প্রদর্শন করা হয়।
ঘরটির আয়তন ছিল মাত্র ছয়–সাত হাত। দেয়াল মাটির তৈরি, ছাদ খেজুরগাছের ডাল দিয়ে বানানো, এতটাই নিচু যে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যেত।
মাত্র ৩৬ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবন, যার মধ্যে ইসলামের ছায়াতলে ছিলেন মাত্র ছয়টি বছর। যার বিদায়বেলায় মহান আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কেঁপে উঠেছিল।
মহানবীর দাওয়াতি কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ ছিল ‘উপমা’। তাঁর উপমা থেকে স্পষ্ট হয় প্রাণ ও প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কত গভীর ছিল।
হালিমা যখন শিশু নবীজি (সা.)–কে শেষবারের মতো তাঁর মায়ের নিকট নিয়ে আসছিলেন তখন মক্কার উঁচু ভূমিতে পৌঁছার পর তাঁকে হারিয়ে ফেলেন।
তায়েফ দুর্গ অবরোধের সময় যখন তিনি দেখলেন যে দীর্ঘ অবরোধ চালালে মুসলিম মদিনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, তখন তিনি সাহসিকতার সঙ্গে অবরোধ তুলে নেন।
এই বিশেষ উপহারটি হলো সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫-২৮৬)। এই দুই আয়াত কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি আরশ থেকে আসা নুর।
তিনি একবার নবীজিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, গায়ের রঙের কারণে জান্নাতে তাঁর মর্যাদা কম হবে কি না। নবীজি তাঁকে আশ্বস্ত করেন। পরে তিনি এক যুদ্ধে শহীদ হন।