ফ্যাশন–সাংবাদিকতার গোড়ার উত্তাল দিন
নিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক সন্ধানের সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠেছিল ঈদ ফ্যাশন ও ঈদের বাজার সংখ্যা।
নিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক সন্ধানের সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠেছিল ঈদ ফ্যাশন ও ঈদের বাজার সংখ্যা।
মানুষের জাগতিক দুঃখের রূপকার ছিলেন কবি জসীমউদ্দীন। গ্রামবাংলার হিন্দু-মুসলমান উভয় সমাজের জীবনপ্রবাহ তিনি উপস্থাপন করেছেন সমান দরদ দিয়ে।
শহীদ সাবের একাত্তরে চলে গেছেন। যদি না যেতেন, যদি থাকতেন, তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে তাহলে কি তার অবস্থা ও অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসত?
আলোকচিত্রটি প্রথম দেখায় অনুভূতি জাগায় গাদাগাদি করা মানুষের মাঝে দমবন্ধ করা ঘনত্ব ও উন্মত্ত এক গতির।
বাঙালির ক্ষোভ ক্রমেই উত্তাল হচ্ছে। বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে এই মার্চ মাস। উন্মত্ত শব্দের তাণ্ডবে বসে সেই বন্দি উনিশ শ একাত্তরের পঁচিশে মার্চের ভয়াবহ রাতে খুঁজলাম সেই উদ্বেল মার্চ মাসকে।
শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্করের সহস্রতম জন্মতিথি উপলক্ষে ১ মার্চ [১৯৮৩] সকালে ঢাকায় একটি শান্তি মিছিল বের হয়।
সাঁওতাল, ওঁরাও, কড়া, ভুনজার—নানা জাতির ভাষা ও জাতিভেদে ভিন্ন হলেও প্রায় সবাই কথা বলে সাদরী ভাষায়।
প্রথম শহীদ মিনারের স্থাপত্য ছিল সহজ-সরল; কিন্তু স্থাপনাটির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বা বক্তব্যটিও ছিল হৃদয়গ্রাহী।
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ১৬টি ছবি তুলেছিলেন রফিকুল। ভাষার দাবির জন্য ছাত্রদের ওপর গুলি হতে পারে—এটা তাঁর কল্পনাতেও ছিল না।
এই রোজা রাখা হয়েছিল ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের ক্রমাগত অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে।
১ ফেব্রুয়ারি ওয়ারীতে গিয়ে শাহরিয়ারের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করি। জানতে চাই, শহীদ রফিকের ছবির মূল নেগেটিভ কোথায়? শাহরিয়ার শোনালেন এক দুঃখজনক ঘটনা।
যাঁরা সেই ষাটের দশকে আমাদের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিলেন, সেই সব ব্যক্তিত্বের মধ্যে শহীদুল্লা কায়সার হলেন অন্যতম।