‘মনরে বোঝ দিবার লাগি আধা পচা ধান কাটছি’
‘পরতি বছর ধান পাই ১২০ থাকি ১৩০ মণ। ইবার অর্ধেক ধান পানিতে গেছে। মনরে খালি বোঝ দিবার লাগি আধা পচা ধান কাটছি।
‘পরতি বছর ধান পাই ১২০ থাকি ১৩০ মণ। ইবার অর্ধেক ধান পানিতে গেছে। মনরে খালি বোঝ দিবার লাগি আধা পচা ধান কাটছি।
কিশোরগঞ্জসহ দেশের সব হাওর এলাকায় বৃষ্টি কমেছে। রোদ উঠেছে। চাষিরা আবার আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন।
প্রায় ২০ বছর ধরে নদীর তীরে বসবাস করা এই মানুষেরা রান্নাবান্না থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সব কাজ নৌকাতেই করেন।
নাছিমার দুই মেয়ে, দুই ছেলে। স্বামী কোনো ভরণপোষণ দেন না। গৃহপরিচারিকার কাজ করে নাছিমাকেই সংসার ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচ সামলাতে হয়।
ফুটপাতের খাবার বিক্রেতারা বলছেন, বিক্রির অবস্থা সুবিধার নয়। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে লাভ কমেছে।
রিকশাভ্যানের ওপর বসে আছেন এক ব্যক্তি। কাঁধে ছেঁড়া গামছা, গায়ে ধুলোমাখা টি-শার্ট, পরনে জীর্ণ লুঙ্গি।
কষ্টে দিন কাটছে চট্টগ্রামের হোটেলশ্রমিক তাজুল ইসলামের
জুতা সেলাইয়ের কাজ করে যে আয় হয়, তা দিয়ে এই বাজারে সংসারের খরচ চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে বলে জানান রামকুমার।
ফকিরাপুলে শ্রমের বাজার। তিন দিন ধরে কাজ পাচ্ছেন না মুন্সিগঞ্জের দিনমজুর সুমন। বললেন, মাসে ১৫ দিনের বেশি কাজ পান না, কষ্টে আছেন।
চলমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ–সংকটের কারণে পোলট্রিশিল্প বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। প্রান্তিক খামারিরা তাঁদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন।
রাহীরা থাকে রাজশাহী নগরের কাজলায়। বাবা সাঈদ রিকশাচালক। মা যুথী বেগম গৃহিণী। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করায় সংসারে টানাটানি শুরু হয়েছে।
খুলনায় সড়ক যোগাযোগ অনুন্নত হওয়ায় মোটরসাইকেলই ভরসার যান। হাজারো মানুষ এই পেশায় জড়িত। কিন্তু জ্বালানিসংকট তাঁদের জীবনযাত্রাকে ওলটপালট করে দিয়েছে।