সুন্দর খাদ্যাভ্যাস গড়তে নবীজির দিকনির্দেশনা
আমাদের সমাজে দাওয়াত, বিয়ে কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট হয়। হোটেল-রেস্তোরাঁতেও একই চিত্র দেখা যায়। এ অপচয় আল্লাহর অমূল্য নেয়ামতের অবমূল্যায়নের শামিল।
আমাদের সমাজে দাওয়াত, বিয়ে কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট হয়। হোটেল-রেস্তোরাঁতেও একই চিত্র দেখা যায়। এ অপচয় আল্লাহর অমূল্য নেয়ামতের অবমূল্যায়নের শামিল।
এরপর সে অন্য একজনকে বিয়ে করলেও আগের স্বামীর ভালোবাসা ও মর্যাদার সঙ্গে তার তুলনা করতে পারে না।
বিলাসিতা নয়, বরং যা পাওয়া যেত তা দিয়েই তিনি তৃপ্ত হতেন। তাঁর প্রিয় খাবারগুলোর মধ্যে এমন কিছু খাদ্য ছিল, যা আজও পুষ্টিবিজ্ঞানে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে স্বীকৃত।
মুসলিম সৈন্যরা যখন মদিনায় পরিখা খনন করছিলেন, তখন তাঁদের তাবুগুলো ছিল এই এলাকায়। তবে স্থানটি ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছে এক অলৌকিক মেজবানির জন্য।
স্বাধীনতা ধরে রাখার জন্য তিনি অত্যন্ত নিপুণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। কেবল আক্রান্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকতেন না, বরং শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত দল পাঠাতেন।
ঘরটির আয়তন ছিল মাত্র ছয়–সাত হাত। দেয়াল মাটির তৈরি, ছাদ খেজুরগাছের ডাল দিয়ে বানানো, এতটাই নিচু যে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যেত।
যারা বিভিন্ন কারণে পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাদের উচিত নবীদের জীবনী থেকে শক্তি সঞ্চয় করা। মানুষের পরিকল্পনা যেখানে শেষ, আল্লাহর পরিকল্পনা সেখান থেকেই শুরু।
সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। এই আয়াতকে মহানবী (সা.) বলেছেন পবিত্র কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত।
মুমিনরা কেবল সেই বিজয়ের আমানতদার বা প্রহরী মাত্র। আল্লাহ ইসলামের খেদমতের জন্য কাউকে নির্বাচন করেন, এটি সেই বান্দার জন্য এক মহা সম্মান।
এখন জিলকদ মাস চলছে। মহানবী (সা.) হিজরতের পর মোট চারবার ওমরাহ পালন করেছেন। বিভিন্ন হাদিসে দেখা যায়, তাঁর প্রতিটি ওমরাহ জিলকদ মাসেই সম্পন্ন হয়েছে।
মহানবী (সা.) আমাদের এমন এক চমৎকার ও প্রজ্ঞাপূর্ণ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে উচ্চারণ করলে জান্নাত পাওয়ার পথ সুগম হবে।
বয়কট চলাকালীন রাতের আঁধারে উটের পিঠে খাদ্য চাপিয়ে উপত্যকার মুখে ছেড়ে দিতেন, যাতে অবরুদ্ধ মানুষগুলো খাবার পায়। কাবার প্রাঙ্গণে কোরাইশ নেতাদের প্রতিবাদ জানান।