
গোপালগঞ্জের ৩ আসনে ২৬ জন প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মোট ৩৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মোট ৩৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে অনিচ্ছাকৃত তথ্যের ভুল ছিল, যা সংশোধন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পঞ্চগড়–১ (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম।

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের নির্দিষ্ট দলের প্রতি প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব দেখা গেছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার পর কুষ্টিয়া-২ ও কুষ্টিয়া-৪ আসনে দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছিল।

একে একে ১২ বার তিনি একাডেমি পুরস্কার অস্কারে মনোনয়ন পান। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, কখনোই তিনি এই পুরস্কার ঝুলিতে পুরতে পারেননি।

‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’–সংক্রান্ত কারণে সিলেটে মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা তিন প্রার্থীর মধ্যে দুজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আজ রোববার কাগজপত্র যাচাই–বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ফেনীতে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থনে মৃত ব্যক্তির সই পাওয়া গেছে। এ কারণে ওই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। আজ রোববার দুপুরে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের কাজ আজ রোববার শেষ হচ্ছে। তবে ঢাকা মহানগর ও জেলায় ২০টি আসনে গতকালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।

বিএনপির কাছে ছাড় পাওয়া বগুড়া-২ আসনের পাশাপাশি ঢাকা-১৮ আসনেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বগুড়ায় যাচাই-বাছাইয়ে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও এক দিন পর ঢাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলে।

মনোনয়নপত্র বাতিলের পর ক্ষোভ জানিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর প্রস্তাবক ও সমর্থককে অপহরণ করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ১৫ প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনেরই মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। আজ শনিবার যাচাই–বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আনোয়ার সাদাত। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া ভোটার তালিকায় গরমিল থাকা, সমর্থকেরা প্রার্থীকে না চেনাসহ বিভিন্ন গরমিলের কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।