
ঈদের ছুটিতে সপরিবার বাড়ি ফিরছিলেন, গাড়ির ধাক্কায় ছিটকে পড়ে বাবা–মেয়ে নিহত
ঈদের ছুটিতে সপরিবার মোটরসাইকেলে করে রংপুর থেকে পাবনায় গ্রামের বাড়িতে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্র্যাকের এক কর্মী ও তাঁর চার বছরের মেয়ের নিহত হয়েছেন।

ঈদের ছুটিতে সপরিবার মোটরসাইকেলে করে রংপুর থেকে পাবনায় গ্রামের বাড়িতে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্র্যাকের এক কর্মী ও তাঁর চার বছরের মেয়ের নিহত হয়েছেন।

নোয়াখালীতে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে থাকা শিশু সামিত মারা গেছে। অবস্থা সংকটাপন্ন থাকায় তাকে ঢাকায় নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি করার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসক। তবে অর্থসংকটে কৃষক বাবা ঢাকা নিতে পারেননি।

এভাবে প্রতারণার ঘটনা এখন প্রায়ই ঘটছে বলে উল্লেখ করেন এসআই সৈকত পাড়ে। তিনি বলেন, প্রতারকেরা এই কাজ করতে যে সিম ব্যবহার করে, তা নকল হয়ে থাকে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর গ্রামে ছেলের ছুরিকাঘাতে নুরু উল্লাহ (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার বিকেল পাঁচটায় গ্রামের ছিন্নমূল ৫ নম্বর সমাজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় এক ইজিবাইকচালককে তিন দিন শিকলে বেঁধে রেখে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছিলেন মা–বাবা। সেই অভিযোগে এক মাস কারাভোগের পর বাড়ি ফিরে বাবাকেই কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার মৌলভীরকুম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আসলাম বলেন, অটোভ্যান চালিয়ে যা আয়, তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। ছেলের হামের চিকিৎসায় প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। ধারদেনা করেই এ টাকা জোগাড় করেছেন।

মহাখালীর ডিএনসিসি হাসপাতালে হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে অসহায় পরিবারগুলো।

একটা রাষ্ট্রের আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থার ওপর কতটা অনাস্থা তৈরি হলে সন্তানের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে একজন বাবা এমনটি বলতে পারেন। কিন্তু এমন ঘটনা তো এ দেশে এ প্রথম নয়। এর আগেও আরও ঘটনায় স্বজনেরা বিচার না চাওয়ার অসহায়ত্ব আমরা দেখেছি। তাতেও কি কিছু যায় আসে আমাদের? রাষ্ট্র বা সরকারের কর্ণধারদের?

কাস্ত্রোর এই মেয়েটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে নির্বাসিত অবস্থায় বসবাস করছেন

সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে হার্টে ছিদ্র ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ মাসের শিশু হাসান আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। ছেলের চিকিৎসায় সর্বস্বান্ত কৃষক বাবা আবদুল হাই ভালো খবরের আশায় দিন গুনছেন।

কারিনা, দিন যাবে, বছর যাবে। একসময় সবাই তোমাকে ভুলে যেতে পারে। কিন্তু তোমার বাবার বুকে তুমি চিরদিন থাকবে। আল্লাহ তোমাকে বেহেশত নসিব করুক। আমিন।