যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার মানুষ কি বিশ্বকাপ দেখছেন
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলো এখনো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া খুব কম মানুষই গাজা ছাড়তে পারেন।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলো এখনো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া খুব কম মানুষই গাজা ছাড়তে পারেন।
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আরব বিশ্বের প্রায় সব দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিন্দা জানিয়েছে। যেসব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তারাও নানা সময়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু এই প্রকাশ্য নিন্দার আড়ালে বাস্তব চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন।
ফিফা গলির এই আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তাদের একজন সাজ্জাদ হোসাইন রাসেল। তিনি জানান, ২০১৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ থেকেই এই লেন সাজানোর উদ্যোগ শুরু হয়।
ইসরায়েলের ছয়টি ডানপন্থী সংগঠন এবং একজন উগ্র ডানপন্থী অধিকারকর্মীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ পাঁচ দেশ।
গাজায় বিয়ের আসরে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে সাত মাস বয়সী একটি ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনারা। শিশুটি তার মা–বাবার সঙ্গে একটি গাড়িতে ছিল। ওই গাড়িতে গুলি চালানো হয়।
ইসরায়েলের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরুর জন্য হামাস কায়রোয় প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইতামার বেন-গভিরের চরমপন্থী কর্মকাণ্ডে বিব্রত ইসরায়েলের মিত্রদেশগুলো।
যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর ইসরায়েলকে হাজার কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দেয়
বুধবার রাতে গাজা নগরীজুড়ে চারটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে।
স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, কবরস্থান ভেঙে সামরিক স্থাপনা তৈরি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।