পশ্চিমবঙ্গের একটি আসনে নতুন করে ভোটের নির্দেশ, ক্ষুব্ধ অভিষেকের চ্যালেঞ্জ
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ফলতা আসনে পুনর্ভোট গ্রহণ করা হবে ২১ মে এবং ভোট গণনা হবে ২৪ মে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ফলতা আসনে পুনর্ভোট গ্রহণ করা হবে ২১ মে এবং ভোট গণনা হবে ২৪ মে।
এপ্রিল মাসে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়া ভারতের চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গই সবচেয়ে জনবহুল। এই রাজ্যের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে ৪ মে। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতের কেন্দ্রে আসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আজ বৃহস্পতিবার জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, এই রাজ্যে তৃণমূলের শাসনের অবসান হবেই।
পশ্চিমবঙ্গের সর্বশেষ বিধানসভা ও লোকসভার ভোটে প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে নিজেদের ভুল প্রমাণ করেছিল, তা নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে।
এই বিপুল বাহিনীর দায়িত্বে যাঁরা থাকছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট – অর্থাৎ ভুয়া বন্দুকযুদ্ধের বিশেষজ্ঞরাও।
ঠাকুরবাড়ির এক পক্ষ ঝুঁকে রয়েছে বিজেপির দিকে। নরেন্দ্র মোদির প্রতি মোহমুক্তি যাঁদের ঘটছে–ঘটছে করেও ঘুচছে না।
ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে উচ্চশিক্ষার কাজে বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন হঠাৎ আবিষ্কার করলাম যে আমাদের পরিবারের চারজনের নামই ভোটার তালিকা থেকে উধাও হয়ে গেছে। বাবা, আমার দুই ভাই–বোন ও আমার নাম সেই তালিকা থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা হয়েছে।
ভোট আবহে কলকাতা এলাম। এমন টান টান, এ রকম ‘কী হয় কী হয়’ নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে আগে হয়নি। সম্ভাব্য ফল ঘিরে এমন সাসপেন্স, চৈত্র মাসের দ্বিপ্রাহরিক তাপপ্রবাহের মতো তপ্ত সমাজ এবং যুযুধান দুই প্রধান শিবিরের মধ্যে ঘৃণামিশ্রিত এত প্রবল রেষারেষি বঙ্গসমাজ অতীতে দেখেনি।
প্রথম দফার ১৫২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৪৭৮ প্রার্থী। নারী ১৬৭ জন।
প্রথম দফার এই ১৫২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১ হাজার ৪৭৮ জন প্রার্থী।
এই অনিশ্চিত আবহের চিত্র ধরা পড়েছে বিভিন্ন জরিপের ফলাফলেও। ভোট গ্রহণের দুই দিন আগেও কেউ নিশ্চিত নয় কে জিতবে কে হারবে।