হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে আলটিমেটাম, ৪৮ ঘণ্টা পেরোলে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন করবেন’ ট্রাম্প
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে হরমুজ নিয়ে তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে হরমুজ নিয়ে তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের শর্তগুলো অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ এসেছে। ট্রাম্প পুরোদমে সামরিক অভিযানের চিন্তা করছেন।
ইরানে ‘কঠোর’ আঘাত হানার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প গত সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।
যুদ্ধের বাড়তি খরচ মেটাতে হোয়াইট হাউস দ্রুতই কংগ্রেসে তহবিলের আবেদন করতে পারে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে আজ রোববার প্রাথমিক চুক্তি সই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।
যুদ্ধে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল হলো শত্রুপক্ষের নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়া। কখনো কখনো এই কৌশল কার্যকর হতে পারে।
ইরানের ওপর দুই সপ্তাহের হামলা স্থগিতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই নিজেদের বিজয় দাবি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাকে ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ বলেছেন, যখন ইরান তাদের ১০ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করানোর কৃতিত্ব নিয়েছে। ‘আমরা ৩৮ দিনের মধ্যে আমাদের মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছি।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এই আলোচনায় ‘পরোক্ষভাবে’ যুক্ত থাকবেন। ট্রাম্পের বিশ্বাস, ইরান এবার একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে ইরান যুদ্ধবিরতির শর্ত দিয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো এই প্রস্তাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ও নৌ-অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি রয়েছে। ট্রাম্প এটিকে তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশ করেছেন।
ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।