সুরা কাউসার: ইতিহাসের বিস্ময়কর প্রতিশোধ
আল্লাহর রাসুল (সা.)–এর পুত্রসন্তানদের মৃত্যুর পর মক্কার কাফেররা তাঁকে ‘আবতার’ বা নির্বংশ বলে উপহাস করত। আস ইবনে ওয়াইল ছিলেন মক্কার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা।
আল্লাহর রাসুল (সা.)–এর পুত্রসন্তানদের মৃত্যুর পর মক্কার কাফেররা তাঁকে ‘আবতার’ বা নির্বংশ বলে উপহাস করত। আস ইবনে ওয়াইল ছিলেন মক্কার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা।
মুমিনরা কেবল সেই বিজয়ের আমানতদার বা প্রহরী মাত্র। আল্লাহ ইসলামের খেদমতের জন্য কাউকে নির্বাচন করেন, এটি সেই বান্দার জন্য এক মহা সম্মান।
আমাদের কাজ হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং যখনই মন অস্থির হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়া, ‘আমি তো এখানে স্থায়ী নই, আমি তো কেবলই একজন মুসাফির।’
রমজান মাস কোরআন অনুশীলনের সর্বোত্তম সময়। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘রমজান মাস, যে মাসে নাজিল করা হয়েছে আল কোরআন, মানুষের জন্য হিদায়াত রূপে এবং পথনির্দেশনার প্রমাণ ও সত্য-মিথ্যা পার্থক্য নিরূপণকারী হিসেবে।’
ইসলাম পিতা-মাতার অধিকার ও মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে; কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব এবং আচার-আচরণের দিকনির্দেশ তুলে ধরা হয়েছে।
কিছু নৈতিক ও আত্মিক ব্যাধি এ পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এসব প্রতিবন্ধকতার কথা স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
পাপ করে যেই অপরাধ করেছেন, আল্লাহ ছাড়া সেই ক্ষমা কোথায় পাবেন? কার কাছে চাইবেন? পবিত্র কোরআন নিশ্চয়তাও দিয়েছে, ক্ষমার দরজা সব সময় সবার জন্যই উন্মুক্ত।
কোরআন যেমন আদর্শ পিতার সফল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে, তেমনি সন্তানদের বিচিত্র স্বভাব ও আচরণের সঙ্গে কীভাবে সর্বোত্তম পন্থায় প্রতিক্রিয়া করতে হয়, তার রূপরেখা প্রদান করেছে।
কোরআন ও হাদিস আমাদের শেখায়, মন যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন কিছু আমল তাকে জীবন্ত করে, দুশ্চিন্তা দূর করে এবং বান্দাকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনে।
কোরআনে নবী মুসা ও খিজিরের (আ.) ঐতিহাসিক সাক্ষাতের গল্পটি মানব ইতিহাসের এক পরম শিক্ষণীয় অধ্যায়; যা আমাদের দেখা, জ্ঞানে নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করা উচিত।
বিপদ–মুসিবত এলে, যখন বাহ্যিকভাবে মুক্তির কোনো উপায় চোখে পড়ে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, আল্লাহ কি আমার ওপর অসন্তুষ্ট?
মানবিক প্রবণতা হলো, অন্যের জীবনে কোনো বিশেষ নেয়ামত বা সাফল্য দেখলে মানুষের মনে দুটি প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়—পরশ্রীকাতরতা, অথবা আক্ষেপ ও হতাশা।