ইরান যুদ্ধ: আরব দেশগুলো কি সরাসরি সংঘাতে জড়াবে
অস্ত্রশক্তির দিক থেকে সৌদি বিমানবাহিনী বর্তমানে ইরানের চেয়ে অনেক বেশি আধুনিক ও ধ্বংসাত্মক।
অস্ত্রশক্তির দিক থেকে সৌদি বিমানবাহিনী বর্তমানে ইরানের চেয়ে অনেক বেশি আধুনিক ও ধ্বংসাত্মক।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাহায্য চাইছে ইরানের ওপর প্রভাব খাটাতে। বাণিজ্য, তাইওয়ান ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার মধ্যে বিশ্বের নতুন সমীকরণ ফুটে উঠছে।
ইসরায়েলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গত এক দশকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের বাইরে ইসরায়েলের সবচেয়ে শক্তিশালী মিত্র এখন ভারত।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।
যে যুদ্ধ ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বিপুল বিনিয়োগ করেছিল, শেষ পর্যন্ত সে যুদ্ধই শুরু হয়েছে।
তিনি কখনো ইরান যুদ্ধের বড় সমর্থক ছিলেন না; এখনো যতটুকু সম্ভব নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন
বিশ্ব গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন অবস্থা চলতে থাকলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে পৃথিবীর অনেক দেশ তীব্র তেলসংকট পড়বে। এমনকি তেলশূন্যও হয়ে পড়তে পারে।
ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধের সফলতা বিপন্ন। তুরস্কের ডার্ডানেলেস ও গ্যালিপোলির ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে মন্ট্রে কনভেনশনের মতো চুক্তির মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। চার্চিলের ভুল এড়াতে কূটনৈতিক পথ বেছে নেওয়া জরুরি।
এ পদক্ষেপের ফলে আট সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়া ইরান যুদ্ধের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরও একটি সুযোগ হারাল কংগ্রেস।
তেহরানে বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া সরকার পরিবর্তনের ধারণাকে আঙ্কারা কোনোভাবেই স্থিতিশীলতার সমাধান হিসেবে দেখে না।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আতঙ্কিত নন তেহরানবাসী। তাঁরা এই যুদ্ধকে জীবনের যুদ্ধ মনে করছেন। অন্যায় এই হামলার সমুচিত জবাব দিতে চান তাঁরা।