
যুদ্ধ শুরু হলে চীন কি ইরানকে রক্ষা করবে
গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

ট্রাম্প গতকাল এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এখন ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।’

ইরানের ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো, এর অভ্যন্তরীণ কঠোর সংহতি।

ইরান এখন যে পথে হাঁটছে, সেই পথে এর আগেও অনেকবার হেঁটেছে দেশটি। প্রায় ৪০ বছর ধরে দেশটির রাজপথগুলো মানুষের ক্ষোভ, আর্তচিৎকার আর হঠাৎ নেমে আসা নীরবতার সাক্ষী হয়ে আছে। এখানকার নাগরিকদের কাছে আন্দোলন তাই নতুন কিছু নয়।

সারা দেশে দ্রুত ইন্টারনেট চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

মাদুরোর মতো খামেনির পরিণতি হতে পারে, এ ধারণা গভীরভাবে ত্রুটিপূর্ণ, এমনকি বিপজ্জনকও।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এই ক্ষোভ দ্রুতই রাজনৈতিক অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই কড়াকড়ি আরোপ করে সরকার।

ট্রাম্প গত সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।

গত মাসে তেহরানে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ ইতিমধ্যে ইরানের ৩১ প্রদেশের সব কটিতে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমানো বা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধে ভারত পক্ষ নিয়েছে ইসরায়েলের, ইরানের টর্পেডো ডুবিয়ে দেওয়া নিয়ে রয়েছে নিশ্চুপ, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার কোনো প্রতিক্রিয়াও জানায়নি।

জাপান সরকার এখনো দোলাচল কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো যৌথ হামলা এবং সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জাপান সরকারের পক্ষ থেকে দেখানো হয়নি। বিস্তারিত তথ্যের ঘাটতির কথা বলছে সরকার।