
ফজরের ১০ উপহার
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজরের গুরুত্ব ও আবেদন একেবারেই আলাদা। ভোরের সেই স্নিগ্ধ সময়ে নামাজ আদায়ের বিশেষ ১০টি উপহার নিয়ে এই আয়োজন।

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজরের গুরুত্ব ও আবেদন একেবারেই আলাদা। ভোরের সেই স্নিগ্ধ সময়ে নামাজ আদায়ের বিশেষ ১০টি উপহার নিয়ে এই আয়োজন।

পাপ বান্দা ও তার প্রতিপালকের মধ্যকার সম্পর্ক দুর্বল করে আখেরাতের সফলতাকে বিপন্ন করে তোলে। তাই পাপের কারণগুলো জানা এবং সেগুলো থেকে বেঁচে থাকা অপরিহার্য।

শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে আপনারা একজন ‘সর্ব বিষয় বিশারদ’ মন্ত্রী পেয়েছেন, যিনি একাই সব মন্ত্রণালয় চালান।

কোরআন ও হাদিসে বারবার তাকওয়া অর্জনের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অন্তরে আল্লাহভীতি জাগ্রত করার জন্য ১০ উপায় বিশেষভাবে কার্যকর।

ফাতিমার আবদারের উত্তরে রাসুল (সা.) বলেছিলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয় বলব না, যা তোমাদের জন্য একজন খাদেম বা সাহায্যকারীর চেয়েও অনেক উত্তম?’

জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।

নামাজ মানুষের জীবন সুন্দর ও আলোকিত করে। নামাজ সফল মুমিনের প্রধান গুণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত।’

মৃত্যু কোনো দূরবর্তী সম্ভাবনা নয়। এটি এমন এক বাস্তবতা, যা প্রতিনিয়ত আমাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করা।

আমরা কোরআনের অনেক আয়াতেই দেখতে পাই, জৈবিক ও আত্মিক, দুনিয়া ও আখেরাতের অগ্রাধিকার ও ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার মধ্যে সমন্বয় করার কথা বলা হয়েছে।

হজ থেকে ফিরে আসার কয়েক মাস পরই সেই আবেগ ও পরিবর্তনের দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন ধরে রাখতে কয়েকটি কাজ করা যেতে পারে।

ইংরেজ আমলে রংপুর অঞ্চলে বেশ কিছু জমিদার ও রাজপরিবার এসে আবাস গড়ে তুলেছিল এবং নিজেদের রাজত্ব ও জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেছিল। তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রাজবংশ হলো তাজহাট রাজবংশ, ডিমলা রাজবংশ এবং কাকিনা রাজবংশ। অন্যদিকে জমিদার বংশগুলোর মধ্যে ভিতরবন্ধ জমিদার বংশ ও কুণ্ডি জমিদার বংশ বিশেষভাবে পরিচিত। এ ছাড়া ইটাকুমারী জমিদার, মন্থনা জমিদার, তুষভান্ডার জমিদার এবং মহিপুর জমিদারদের নামও উল্লেখযোগ্য।

তওবা করার সময় যদি মনে এই ধারণা থাকে যে সুযোগ হলে আবারও এই কাজ করব, তবে তা আদৌ তওবা বলে বিবেচ্য হবে না এবং আল্লাহর কাছে তা কবুলও হবে না।