বাংলাদেশে ‘ডিজিটাল নাগরিকত্ব’ নিয়ে বিভ্রান্তি কেন
একটা প্রশ্ন দিয়েই শুরু করি। স্মার্টফোন হাতে পেয়েই আমরা সবাই নিজেকে ডিজিটাল পরিসরের একজন সক্রিয় নাগরিক বলে ভাবতে শুরু করেছি। আমরা কি আসলেই ‘ডিজিটাল নাগরিক’?
একটা প্রশ্ন দিয়েই শুরু করি। স্মার্টফোন হাতে পেয়েই আমরা সবাই নিজেকে ডিজিটাল পরিসরের একজন সক্রিয় নাগরিক বলে ভাবতে শুরু করেছি। আমরা কি আসলেই ‘ডিজিটাল নাগরিক’?
এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা, গ্রহণযোগ্যতা ও কার্যকারিতা নিয়ে দেশের মানুষের মনেই গভীর প্রশ্ন ও সংশয় রয়েছে। প্রশ্নগুলো কেবল একদলীয় দাবির নয়, বরং এগুলো বিস্তৃত রাজনৈতিক আলোচনার, জনমত ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের প্রতিফলন।
মুক্তকণ্ঠতে প্রকাশিত সাম্প্রতিক কলামে মাহতাব উদ্দীন আহমেদ এনসিপির নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে যে প্রশ্ন ও সমালোচনা উত্থাপন করেছেন, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার মতো।
এখন প্রশ্ন হলো, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ‘আইনের শাসন’ কি এই রাঘববোয়ালদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে? নাকি দল পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে লুটেরারাও ভোল পাল্টে নতুন সরকারের ‘আশ্রয়’ নেবে?
আমি তাঁদের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করি—ভোট দেবেন কাকে? একজন বলে, আপনি বলেন, কাকে ভোট দেব? এমন পাল্টা প্রশ্নে আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে যাই।
নেটফ্লিক্সের নতুন তথ্যচিত্র ‘দ্য ইনভেস্টিগেশন অব লুসি লেটবি’ আবারও প্রশ্ন তুলেছে—আদৌ কি তিনি দোষী, নাকি ভুল বিচারব্যবস্থার শিকার?
হিন্দি সিনেমায় বছরের পর বছর ধরে যে ধরনের প্রেম দেখানো হয়েছে, তা নিয়ে এবার খোলাখুলি প্রশ্ন তুললেন অভিনেত্রী জিনাত আমান।
প্রশ্ন উঠেছে, এটি পরিকল্পনার ঘাটতি নাকি দায়িত্বহীনতা?
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘একটা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখ আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। ৫৪ বছরে যাঁরা রাজনীতি করেছেন, অনেকেই চেষ্টা করেছেন। আমরা কারও আন্তরিকতার ওপর কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই না।’
যাঁর সঙ্গেই দেখা হয়, একটাই প্রশ্ন, ‘ইলেকশনে কে জিতবে।’ জাতীয় সংসদের নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তরুণদের মধ্যে নানা চিন্তাভাবনা চলছে। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, তরুণদের মনে ততই ভিড় করছে নানা প্রশ্ন। কেউ আশা করছেন বদল আসবে, কেউ আবার আগের অভিজ্ঞতা থেকে শঙ্কিত।
ইশতেহারটিকে নানা দিক থেকে ব্যতিক্রমী বলা গেলেও এর বেশ কিছু পাতায় যেসব ছবি দেখা যাচ্ছে, তার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়