বিরল খনিজ সম্পদের জন্যই কি গ্রিনল্যান্ডের দিকে ট্রাম্পের নজর: আসলে কী আছে সেখানে
গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা নিশ্চিতে ভবিষ্যৎ চুক্তির ‘কাঠামো’ গুছিয়ে আনার দাবি করেছেন ট্রাম্প।
গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা নিশ্চিতে ভবিষ্যৎ চুক্তির ‘কাঠামো’ গুছিয়ে আনার দাবি করেছেন ট্রাম্প।
দীর্ঘদিনের জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল তিন বছরের নতুন চুক্তিতে ট্রিনিটিকে ধরে রাখার ঘোষণা দেয় ওয়াশিংটন স্পিরিট।
সাক্ষাৎকালে দুই পক্ষের মধ্যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, শ্রম আইনের ব্যাপক সংস্কার, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্কচুক্তি, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে শক্তি প্রয়োগের হুমকি থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ সরে আসার ঘোষণা দিলেন। এর মাধ্যমে তাঁর প্রশাসনের গত কয়েক সপ্তাহের নীতিগত বিশৃঙ্খলার অবসান হলো।
চুক্তিটি কার্যকর করতে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউভুক্ত দেশগুলোর অনুমোদন দরকার।
এসডিএফ দুটি আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ থেকে সরে যেতে সম্মত হয়েছে।
ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে যত খুশি সেনা পাঠাতে পারে।
নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
বড় সংকট এড়াতে কিউবাকে দ্রুত ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তিতে আসার পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্প।
গ্রিনল্যান্ডে এখনো পুরোপুরি কাজে না লাগানো তেল ও গ্যাসের বিশাল ভান্ডার রয়েছে। বরফ গলে গেলে বিরল খনিজ সম্পদের উত্তোলন আরও সহজ হবে। এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও অস্ত্রশিল্পের জন্য অপরিহার্য। যদি ট্রাম্পের আগ্রহ বিরল খনিজে হয়, তাহলে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড—উভয় পক্ষই অংশীদারিমূলক চুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিন্তু ট্রাম্প যে ভাগাভাগির পথে হাঁটছেন—তার কোনো লক্ষণ নেই।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করতে বুধবার ঢাকায় আলোচনা শুরু হচ্ছে।