
ইসরায়েলের বেপরোয়া আচরণে কি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তিচুক্তি ভেস্তে যাবে
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকে সই করলেও নির্ধারিত শান্তি আলোচনা শুরু হয়নি।

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকে সই করলেও নির্ধারিত শান্তি আলোচনা শুরু হয়নি।

আলোচনা স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন চুক্তিতে ট্রাম্প মরিয়া ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন খামেনি।

ট্রাম্প-মোদি বৈঠক এবং ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বর্তমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের আলোচনা স্থগিত

নৌ অবরোধ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র

আজ শুক্রবার চুক্তি–পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিয়ে এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। সেই অনুযায়ী, লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি তার ওপর পাল্টা আঘাত হানবে।

ট্রাম্প গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই চুক্তি আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে কিয়েভ। জেলেনস্কি একে যুদ্ধ বন্ধে মস্কোকে বাধ্য করার কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গত ২৫ বছরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র যত সামরিক ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে, তার মধ্যে ইরান যুদ্ধ সম্ভবত সবচেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধ আফগানিস্তান, ইরাক, ইয়েমেন, লিবিয়া কিংবা সিরিয়ায় চালানো সামরিক হস্তক্ষেপের মতো ছিল না। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান শুধু আরেকটি মার্কিন সরকার পরিবর্তনের প্রচেষ্টা থেকে টিকে যায়নি; যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের এই যুদ্ধ কখনোই কেবল একটি সরকারের ভাগ্য নির্ধারণের লড়াই ছিল না।

মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’