
এই প্রথম রাজধানীতে জামায়াত জোটের জয়
রাজধানীর ১৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৭টিতে জয়ী হয়েছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা।

রাজধানীর ১৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৭টিতে জয়ী হয়েছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা।

সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের পরাজিত করে জয় পেয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। এর মধ্যে দুটি আসনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও বাকি দুটি আসনে কার্যত প্রতিযোগিতা গড়ে তুলতে পারেনি বিএনপি।

বরিশাল বিভাগে প্রায় ৪৬ বছর পর ভূমিধস বিজয় পেয়েছে বিএনপি। বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে এবার বিএনপি ও জোটের প্রার্থীরা ১৮টিতে জয় পেয়েছেন।

লাইসেন্স প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রার্থী বাছাইয়ে লাইসেন্স মঞ্জুরের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রারের পুত্রসন্তানকে যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে অগ্রাধিকার দিতে হবে—মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালার এমন বিধান প্রশ্নে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন নির্বাচিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের হারানো আসনটি ফিরে পেল বিএনপি।

প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান চার হাজারের কম। দুটি আসনেই ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপির দুই প্রার্থীর।

সাতকানিয়া–লোহাগাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে যে কারণে হারাতে পারেনি বিএনপি।

ঢাকা–৫ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট।

২৮ আসনে জয়-পরাজয়ে প্রভাব বিএনপির বিদ্রোহীদের

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁদের প্রতি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলো আলাদা করে সমর্থন দিয়েছিল। তবে ভোটের মাঠে এর প্রভাব পড়েছে কম।

চট্টগ্রামে জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় গত এক দশকে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনার করা হত্যা মামলার একটিরও বিচার এখন পর্যন্ত শেষ করা যায়নি। ফলে হতাশ বিচারপ্রার্থীরা।

বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে এবার ব্যতিক্রমী ফল হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর কাছে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী।