
‘এখনই ইরান ছাড়ুন’—মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ইরানে থাকা মার্কিন নাগরিকেরা জিজ্ঞাসাবাদ, গ্রেপ্তার ও আটক হওয়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ইরানে থাকা মার্কিন নাগরিকেরা জিজ্ঞাসাবাদ, গ্রেপ্তার ও আটক হওয়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন।

গত কয়েক দিনে ইরানে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিক্ষোভ দমনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী প্রাণঘাতী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

মাদুরোকে তুলে নেওয়ার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে অনেক লক্ষ্য অর্জন করেছে।

ইরানে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে সন্দিহান তাঁরা।

ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার সম্পর্কের সাম্প্রতিক অবনতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন পশ্চিমাঞ্চলের গাচসারান, ইয়াসুজসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজা ও দাফনের দৃশ্য প্রচার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সশস্ত্র আধা সামরিক গোষ্ঠীগুলো মার্কিন নাগরিকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে—এমন খবর পাওয়া গেছে।

ইরানে বিক্ষোভ চললেও দেশটিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের কোনো ইঙ্গিত দেয়নি ইসরায়েল।

মিনিয়াপোলিসে ১০ হাজারের বেশি বিক্ষুব্ধ মানুষ রাজপথে নেমেছেন।

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড আমরা না নিলে রাশিয়া ও চীন তা দখল নিতে পারে, এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের ওই ভূখণ্ড প্রয়োজন।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বকে নতুন করে হুমকি দেওয়ার পর দেশটির সেনাবাহিনী জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।